ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, বারাসত: গাঁজা (Cannabis) নিয়ে ধুন্ধুমার উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গায়। মাদক কারবারিদের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কেজি গাঁজা ছিনিয়ে নিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় জনতা। আর সেই গাঁজা কুড়োতে প্রকাশ্য রাস্তায় জনতার মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় দেগঙ্গা থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার এক মাদক ব্যবসায়ী।
জানা গিয়েছে, দেগঙ্গার বেড়াচাপা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গাঁজার ব্যবসা চালাচ্ছিলেন ২ ব্যবসায়ী। এলাকায় সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বহুবার তাঁদের হুঁশিয়ারি দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হয়নি। এ নিয়ে বহুবার বিক্ষোভ করে, এমনকী পুলিশের দ্বারস্থ হয়েও এই ব্যবসা বন্ধ করা যায়নি বলে অভিযোগ। দু’জনে অবাধেই মাদকের ব্যবসা চালিয়ে গিয়েছে। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।
[আরও পড়ুন: দিলীপ ঘোষের চা চক্রের মঞ্চ ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল]
সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, শনিবার বেলা ১১টা নাগাদ দুই গাঁজা ব্যবসায়ী যখন মাথায় গাঁজার বস্তা নিয়ে এলাকায় ঢুকছিল, সেসময় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। বিপদ বুঝে একজন মাথায় ওই বস্তা নিয়েই পালিয়ে যায়। অপরজনকে ধরে গাঁজার বস্তা রাস্তায় ফেলে দেন স্থানীয়রা। প্রায় একশো কেজি গাঁজা ছিল। সেসব ফেলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গাঁজার স্তূপে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এসবের মাঝেই দেখা যায়, অগ্নিদগ্ধ গাঁজার স্তূপ থেকেই গাঁজা কুড়োনোর জন্য পথচলতি জনতার মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে যে টাকি রোডে (Taki Road) যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়।
[আরও পড়ুন: ভোজনরসিকদের জন্য সুখবর, রাজ্যের উদ্যোগে এবার সস্তায় ‘সুফল বাংলা’র স্টলেই মিলবে ইলিশ]
এমন ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দেগঙ্গা থানার পুলিশ। জনতার ভিড়, বিক্ষোভ সব হঠিয়ে দেয়। আগুন থেকে গাঁজা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ২০ কেজি গাঁজা অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। বাকি সবই পুড়ে গিয়েছে। রতন বিশ্বাস নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।
সর্বশেষ খবর
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার
-
ডিমের ভয়! আলাদত চত্বরে লুঙ্গি তুলে দৌড় ধৃত তৃণমূল নেতার
-
তৃণমূলের বিরুদ্ধে গান গাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি! উদয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শিল্পীর
-
মেয়র পদের পর খেলার মাঠও ছাড়ছেন ফিরহাদ, ইস্তফা ভলিবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে
-
‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় বুলডোজার বাবা’, মঞ্চে পা রাখতেই যোগীর উদ্দেশে স্লোগান জনতার