Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জন্মাষ্টমী

দুয়ারে এসেছে গোপাল, জন্মাষ্টমীর দিন বহুরূপীতেই মজল ভক্তদের মন

বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষ্ণের নামগান করেন বহুরূপীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০১৯, ২১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০১৯, ২১:২৭

options
link
দুয়ারে এসেছে গোপাল, জন্মাষ্টমীর দিন বহুরূপীতেই মজল ভক্তদের মন zoom
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান:  ঘরে ঘরে পালিত হচ্ছে গোপালের জন্মদিন। তালের ফুলুরি থেকে নানা পদের সুগন্ধ গ্রামগঞ্জের বাতাসে। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতে সেই গোপালই ভরসা জয়ন্তর। জন্মাষ্টমীর দিন কৃষ্ণ সেজে গ্রামগঞ্জে ঘুরে ঘুরে শোনালেন কৃষ্ণনাম। অনেকেই দু’হাত ভরে যথাসাধ্য তুলে দিলেন জয়ন্তকে।

[ আরও পড়ুন: মিড-ডে মিলে পোকা, খাবার ছড়িয়ে প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ]

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের মোসগড় গ্রামের বাসিন্দা জয়ন্ত ভূমিজ। বছরে অন্য সময় দিনমজুরি করেন। তবে তাতে সংসার চলে না ঠিকমতো। তাই দেবদেবীর বেশ ধরেই রুটিরুজির ব্যবস্থা করেন। বিভিন্ন দেবদেবীর পুজোর দিন সংশ্লিষ্ট দেবদেবীর বেশে গ্রামগঞ্জে গৃহস্থ বাড়িতে হাজির হন। শুক্রবার ছিল জন্মাষ্টমী। এদিন জামালপুরের বিভিন্ন গ্রামে শ্রীকৃষ্ণর বেশে হাজির হন বহুরূপী জয়ন্ত। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শোনান কৃষ্ণের নামগান। তারপর ঝোলা ভরেন হাসিমুখে গৃহস্থের তুলে দেওয়া অর্থ, চাল, অনাজপাতি দিয়ে। দিনের শেষে জামালপুরে ঝুলনের মেলাতেও হাজির হন। কৃষ্ণরূপী জয়ন্ত মনোরঞ্জন করেন মেলায় আগত দর্শনার্থীদেরও। তারপর ঝোলা ভরে গেলে ধরেন বাড়ির পথ। অন্তত কিছুদিন তো চিন্তামুক্ত থাকবেন। পরিবারের সদস্যদের মুখে অন্ন তুলে দিতে পারবেন। এতেই আপাতত নিশ্চিন্ত জয়ন্ত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

bahurupi-1

দুঃস্থ পরিবারের ছেলে জয়ন্ত। ছোট থেকেই রোজগার শুরু করেন। তা দিয়ে কোনওক্রমে দিন চলে। ছোট থেকেই বিভিন্ন দেবদেবীর রূপ ধরে মনোরঞ্জন করে অর্থ রোজগারের পথও বেছে নেন তিনি। জয়ন্ত জানান, তিনি সব দেবদেবীরই ভক্ত। সকলেরই পুজো করেন। আর যেদিন যে দেব বা দেবীর পুজোর দিন, সেদিন তাঁদের রূপ ধরেন। বহুরূপী হয়ে হাজির হন গ্রামে গ্রামে।

আগে গ্রামে গাজন-সহ বিভিন্ন উৎসবের সময় প্রচুর বহুরূপীর দর্শন মিলত। কচিকাচাদের বিনোদনে বহুরূপীর জুড়ি মেলা ভার ছিল। কিন্তু এখন বহুরূপী হারাতে বসেছে গ্রামবাংলা। সংখ্যায় অনেক কমে গিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু পুরনো এই ধারা অব্যাহত রাখতে প্রায় রোজই সেজে বেরোচ্ছেন জয়ন্তদের মতো কিছু মানুষ।

[ আরও পড়ুন: মিড-ডে মিলে পোকা, খাবার ছড়িয়ে প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.