বিশেষ সংবাদদাতা, নয়াদিল্লি: এখন থেকে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত প্রতি মাসেই বঙ্গ সফরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মে মাসের শেষদিকে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে জনসভা করার পরে এবারে ২০ জুন নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রী জনসভা করতে পারেন বলে রাজ্য বিজেপির অন্দরে জল্পনা তুঙ্গে। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ২০ জুন তারিখকে রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবস তথা ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালনের নির্দেশ দিয়েছিল।
১৯৪৭ সালে বঙ্গভাগের সিদ্ধান্তকে স্মরণ করে গত কয়েক বছর ধরে এই দিনটি বিজেপির কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে। নন্দীগ্রাম বিজেপির কাছে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করে জোরালো রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইছেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য, বিজেপি ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঘোষণা করার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাদ্যায় এর তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি এই দিনটি বাঙালির জন্য ‘কালো দিন’ বলে মন্তব্য করেন। কারণ এটি বঙ্গবিভাজনের স্মৃতি বহন করে।
প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরকে অবশ্য পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা পরিযায়ী এবং তাদের বাংলায় ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ কোনও কাজে দেবে না বলেই মনে করছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে দলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেছেন, “মোদি বাংলায় যেখানে খুশি আসতে পারেন। নানা রঙের লোকজন আগেও এসেছেন। এসে কী হয়েছে। বাংলার মানুষ বিজেপির আসল চেহারা কী তা জেনে গিয়েছে। যতবার ওঁরা বাংলায় আসবেন ততবারই মানুষ দেখতে পাবে যে, খালি হাতে এসেছেন, বকেয়া টাকা দিচ্ছেন না। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বিজেপি আগেও হেরেছে, এবারেও হারবে।”
২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়েও খেঁাচা দিয়ে কুণাল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দিবস কিনা জানি না। ওদিন আমার জন্মদিন।” তাঁর কটাক্ষ, “পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঠিক হয়ে গিয়েছে। বিশিষ্ট জনদের মতামত নিয়েই পয়লা বৈশাখ পশ্চিমবঙ্গ দিবস ঠিক হয়েছে। বাংলার শিল্পী, গবেষকরা এবারে পয়ালা বৈশাখ তা পালনও করেছেন। এখন ওরা জোর করে ২০ জুনকে চাপিয়ে দিতে চাইছে। বাংলার মানুষ তা কেন মানবে?”
সর্বশেষ খবর
-
জানালা দিয়ে উড়ে আসা ডিমে ভিজল শাড়ি, কালীগঞ্জে এবার হামলার শিকার মহুয়া!
-
বারবার পশ্চাৎদেশে ক্যামেরা তাক! পাপারাজ্জিদের ‘কান মুলে’ সভ্যতার পাঠ নেহা ধুপিয়ার
-
‘চোরে চোরে ভায়রাভাই’, কুম্ভমেলার সময় সর্বাধিক চুরি রাম মন্দিরে! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য
-
‘গ্রেপ্তারির পরোয়া করি না’, ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে পুলিশের তলব পেয়েও স্বমেজাজে হুমায়ুন
-
কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে, ৮ জুলাই ফের অভিষেককে তলব বিধাননগর আদালতের