Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Beldanga

বিক্ষোভের নামে নৈরাজ্য! যাত্রীবাহী বাসে পাথর হামলা, বেলডাঙায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার পুলিশের

এবার যাত্রীবাহী বাসে হামলা! মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাসে হামলার ঘটনায় ফের বাড়ছে আতঙ্ক। রেলগেট ভেঙে রেললাইন অবরোধ, রাস্তায় অবরোধের পর এই বাসে হামলার ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। বেলডাঙায় বিক্ষোভের নামে নৈরাজ্য কেন? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিন বেলাতেই বেলডাঙায় বিশাল সংখ্যায় পুলিশ বাহিনী, র‍্যাফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নামে।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৮:০১

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৮:০১

options
link
বিক্ষোভের নামে নৈরাজ্য! যাত্রীবাহী বাসে পাথর হামলা, বেলডাঙায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার পুলিশের zoom
এলাকায় টহল র‍্যাফ, পুলিশের। নিজস্ব চিত্র

এবার যাত্রীবাহী বাসে হামলা! মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাসে হামলার ঘটনায় ফের বাড়ছে আতঙ্ক। রেলগেট ভেঙে রেললাইন অবরোধ, রাস্তায় অবরোধের পর এই বাসে হামলার ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। বেলডাঙায় বিক্ষোভের নামে নৈরাজ্য কেন? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিন বেলাতেই বেলডাঙায় বিশাল সংখ্যায় পুলিশ বাহিনী, র‍্যাফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নামে। বিকেল পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

গতকাল, শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল বেলডাঙা। এদিন সকাল থেকে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। শনিবার ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বেলডাঙা। বড়ুয়া মোড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ স্থানীয়দের। ভাঙল লেভেল ক্রসিং। তার ফলে জাতীয় সড়কে তীব্র যানজট। চরম ভোগান্তির শিকার যাতায়াতকারীরা। অবরোধকারীদের দাবি, শুক্রবার বিহারের ছাপরা এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিক আনিসুর শেখকে বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্তা করা হয়। বেধড়ক মারধরে তাঁর বুকের হাড় ভেঙে যায়। সেই খবর গ্রামে আসতেই গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। আহত পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে ফিরলে আ্যম্বুল্যান্স করে তাঁকেও অবরোধস্থলে আনা হয়। পরে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement

মালদহ থেকে কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে একটি যাত্রীবাহী বাস যাচ্ছিল। অভিযোগ, বেলডাঙার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ওই বাসটির উপর হামলা হয়। বিক্ষোভকারীরা বাস লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে! বাসের চালকের সামনের কাঁচ ভেঙে যায়। হামলা দেখে কোনওরকমে বাসচালক আসন ছেড়ে নেমে পড়েন। আতঙ্কে, ভয়ে আর্তনাদ করতে থাকেন বাসের যাত্রীরা। যদিও হামলাকারীরা পাথর ছোড়া বন্ধ করেনি বলে অভিযোগ। কাঁচের জানলা ভেঙে, ইটের আঘাতে যাত্রীরা জখম হতে থাকেন। কোনওরকমে বাস থেকে যাত্রীরা নেমে এদিক ওদিক পালাতে থাকেন।

ঘটনায় ছয় বাসযাত্রী জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কেন সাধারণ মানুষের উপর এই আক্রমণ? বাসের উপর কেন এভাবে পাথরবৃষ্টি? সেই প্রশ্ন উঠেছে। এদিন বেলাতেই বিশাল পুলিশ বাহিনী, র‍্যাফ বেলডাঙায় পরিস্থিতি আয়ত্তে নামে। রেললাইন অবরোধ করে রাখা হয়! রেললাইন থেকে বিক্ষোভকারীদের লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তায় তাড়া করে ছত্রভঙ্গ করা হয় বিক্ষোভকারীদের।

পুলিশের তরফে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ-প্রশাসনের তরফে শুরু হয় মাইকিং। পরিস্থিতি শান্ত রাখার আবেদন জানানো হয়। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে ময়দানে নামে বিশাল বাহিনী। এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ। গোটা এলাকায় পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ টহল দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর পর্যন্ত বেলডাঙায় ৩০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে খবর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.