ঝাড়গ্রামের গড় শালবনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাঁতাল হাতির মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন বেসরকারি হোমস্টে ‘কৌশলা হেরিটেজ’-এর মালিক মহেশ মেহেরা। রাজস্থানের জয়পুর থেকে গ্রেপ্তার করে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত ১৯ মে গড় শালবনি এলাকায় ‘কৌশলা হেরিটেজ’-এর ফলের বাগানে একটি পূর্ণবয়স্ক দাঁতাল হাতির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর বনদপ্তরের ময়নাতদন্তে জানা যায়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ ওঠে, ফলের বাগান রক্ষা করতে বেআইনিভাবে বিদ্যুতের তার বিছিয়ে রাখা হয়েছিল। সেই তারের সংস্পর্শে এসেই হাতিটির মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। তাঁদের অভিযোগ, বন্যপ্রাণী আটকানোর নামে এভাবে বিদ্যুতের তার ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং বেআইনি। ঘটনার পর হোমস্টের এক কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকেই হোমস্টে মালিক মহেশ মেহেরা পলাতক ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মহেশ মেহেরা রাজস্থানের জয়পুরে আত্মগোপন করে রয়েছেন। এরপর ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁকে। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে ঝাড়গ্রাম আদালতে পেশ করে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে দু’দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।
আরও পড়ুন:
এই প্রথমবার নয়। এর আগে গত ২০২৪ সালে ঝাড়গ্রামে হাতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ঝাড়গ্রাম শহরে ঢুকে পড়ে পাঁচ হাতির একটি দল। হাতির হামলায় মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। হাতি তাড়াতে হুলাপার্টির ডাক পড়ে। অভিযোগ, হুলাপার্টির সদস্যরা জ্বলন্ত রডের আঘাত করে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করে। তাতে এক হাতি জখম হয়। পরে তার মৃত্যু হয়। ওই হাতিটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন তারকারাও। পথে নেমে প্রতিবাদ করেন তাঁরা। তৎকালীন বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার পদত্যাগও দাবি করেন তারকারা। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চলতি বছরের মে মাসে আরেক হাতির মৃত্যুতে শোরগোল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বার্ন স্ট্যান্ডার্ডের জমিতে ১০০ কোটির হাসপাতাল, মোদির শিলান্যাসের পরই কাজ শুরু রেলের
-
বড়দের সঙ্গে থাকলে ‘বখে যাবে’! ‘শিশু’ বৈভবকে ‘রক্ষা করতে’ বিশেষ পদক্ষেপ বোর্ডের
-
‘নেহরুই সেরা প্রধানমন্ত্রী, মোদি মিথ্যার কারিগর’, আক্রমণ কংগ্রেসের
-
অন্নপূর্ণার ৩ হাজার পয়লা জুলাই পাবেন না? নিশ্চিত হয়ে নিন এই উপায়ে
-
তারাতলা গিয়েও ঘটনাস্থলে পা রাখতে পারলেন না ফিরহাদ, কেন ফিরতে বলল পুলিশ?