Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Saumitra Khan

বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রের আপ্তসহায়ক নির্দেশে তোলাবাজি! অভিযুক্তকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ

যদিও পদ্ম সাংসদ সৌমিত্র খাঁ দাবি করেছেন, হৃদয় পাল তাঁর পরিচিত। কিন্তু পিএ বা আপ্ত সহায়ক নয়। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁদের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেছেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১১:৪৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১১:৪৮

options
link
বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রের আপ্তসহায়ক নির্দেশে তোলাবাজি! অভিযুক্তকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ zoom
বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র সঙ্গে হৃদয় পাল।
Advertisement

বালি খাদান থেকে তোলাবাজিতে নাম জড়িয়েছে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)-র। তাঁর পিএ হৃদয় পালের নির্দেশে বর্ধমানে তোলাবাজির টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে দু’জন। তাদের কাছ থেকে নগদ ৬ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা, একটি চারচাকা গাড়ি ও তিনটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত হয়। হৃদয় পালকে এখন হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ।

অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে আসানসোল, দুর্গাপুরের বিভিন্ন জায়গায় ইডি বালি খাদান ব্যবসায়ীদের বাড়িতে রেড চালিয়েছিল। যাঁদের অনেকেরই বালিখাদান রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায়। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, বালি খাদানে তোলাবাজির ‘রেট’ বাড়াতে ওই ‘রেড’ করানো হয়েছিল। তারপর তোলাবাজির টাকা নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। আবার আদি বিজেপির অনেক নেতা মনে মনে বলছেন, কাঁকসার সিলামপুর, রণডিহা থেকে ট্রাকে করে নিত্যদিন বালি পাচার হয়। বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার নেতারা নীরব দর্শক। সেখান থেকেও ‘তোলা’ আসে বলেই বিজেপির অফিশিয়াল নেতারা চুপ থাকেন বলেও কটাক্ষ করছেন আদি বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও পদ্ম সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan) দাবি করেছেন, হৃদয় পাল তাঁর পরিচিত। কিন্তু পিএ বা আপ্ত সহায়ক নয়। যাঁরা গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁদের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “ষড়যন্ত্র করে সৌমিত্র খাঁ-র নাম জড়ানো হচ্ছে। দল নতুন করে বর্ধমান বিভাগের দায়িত্ব দিয়েছে আমাকে। সেই কারণেই আমাকে দমানোর জন্য এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।” সৌমিত্র খাঁ আবার প্রচ্ছন্ন হুমকির সুরে বলেছেন, “যে সব ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধেও আয়কর বিভাগের তদন্তের আবেদন করব।”

এর থেকেই অনেকেই দুই আর দুইয়ে চার করছেন। তোলার ‘রেট’ বাড়াতেই তাহলে কয়েকদিন আগে ইডি রেড করানো হয়েছিল বিভিন্ন জায়গায়। বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, “বিজেপি (BJP) দলের অধিকাংশ নেতাই দুর্নীতিগ্রস্ত। বিজেপি সাংসদের ঘনিষ্ঠ লোকই বালি ঘাট থেকে টাকা আদায়ের সঙ্গে যুক্ত। যে সমস্ত নেতা অন্য দল থেকে বিজেপিতে গিয়েছে তারা সকলেই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।” আদি বিজেপি নেতা কেশব কোঙার সামাজিক মাধ্যমে এই প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘আমি ও আমাদের এটা বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হচ্ছে, এই ধরনের বেআইনি তোলাবাজি আমাদের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের পরিচিত কেউ এটা করতে পারে।’ প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সপ্তাহে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা তোলা তুলে বিষ্ণুপুরে পৌঁছে দেওয়া হত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.