BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভোটের ফল প্রকাশের পরই দিকে দিকে আক্রান্ত শাসকদল, কাঠগড়ায় বিজেপি

Published by: Bishakha Pal |    Posted: May 24, 2019 11:47 am|    Updated: May 24, 2019 5:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। আর এরমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় শাসকদলের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসতে শুরু করেছে। প্রতিক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে বিজেপিকে৷ অভিযোগ, কোচবিহার, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম-সহ একাধিক জেলায় বিজেপির হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা৷ তাঁদের মারধর করা হচ্ছে৷ ভেঙে দেওয়া হচ্ছে ঘর-বাড়ি৷ দলীয় কার্যালয়ও দখলের চেষ্টা চলছে৷ যদিও তৃণমূলের তরফে সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করেছে বিজেপি। তাদের পালটা দাবি, এসবই শাসকদলের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল।

ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ আসনই গিয়েছে বিজেপির দখলে। অভিযোগ, তারপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডায় তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এছাড়া বিজেপির বিরুদ্ধে পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে তৃণমূলকর্মীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্ত হওয়ার ফলে ওই মহিলার হাত ভেঙে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও অভিযোগ  অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের পালটা দাবি, এসব গণরোষের ফল। তৃণমূল কংগ্রেস এতদিন ধরে মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছে, সেসব তারই পালটা।

[ আরও পড়ুন: এত আসনে হার কেন? বিধায়কদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ]

এদিকে দিনহাটার সিতাইয়েও তৃণমূলের ব্লক কার্যালয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে হরিবোলা, গিরিধারি পার্টি অফিসও। স্থানীয় নেতা অশোক কুমার রায়ের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটেরও অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। সিতাই কেন্দ্রের বিধায়ক জয়দীশ বর্মা বসুনিয়ার অভিযোগ, কোচবিহার লোকসভার অন্তর্গত একমাত্র সিতাই বিধানসভাতেই ৩৪ হাজারেরও বেশি ভোটে লিড পেয়েছে তৃণমূল। সেই কারণেই এই হামলা। কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের দিকে সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তিনি। কিন্তু বিজেপির জেলা সভাপতি মালতী রাভা এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, ভোটের আগে শাসকদল অত্যাচার করেছে। এসব তারই ফল। উলটে তাঁর অভিযোগ, তুফানগঞ্জ মহকুমার চিলা থানা এলাকায় বিজেপির জয়োল্লাসের মিছিলে হামলা চালায় তৃণমূল। হামলায় জখম হন পাঁচজন বিজেপিকর্মী। একজনের আঙুল কেটে নেওয়া হয়। উত্তেজনার খবর স্বীকার করে নিয়েছেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার সিং৷ এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি৷ এছাড়া, হাওড়ার শালিমার এলাকাতেও তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ফলে দুই দলের একাধিক কর্মীর আহত হওয়ার খবর এসেছে। ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন বলেও খবর। শুক্রবার সকাল থেকেই এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা। চলছে পুলিশের টহলদারি।

দেখুন ভিডিও:

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement