Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Lok Sabha Polls 2024

গোপনে দক্ষিণ কলকাতা আসন সিপিএমকে ছেড়েছে কংগ্রেস! প্রদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জেলা সভাপতি

তাঁর বক্তব্য, ওই আসন বরাবর কংগ্রেসের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৪, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৪, ১০:০৫

options
link
গোপনে দক্ষিণ কলকাতা আসন সিপিএমকে ছেড়েছে কংগ্রেস! প্রদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জেলা সভাপতি zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: সিপিএমের সঙ্গে আসন সমঝোতার প্রস্তাব সামনে রেখে দলীয় বৈঠকে আলোচনায় ঠিক হয়েছিল দক্ষিণ কলকাতা আসন রাখবে কংগ্রেস। কিন্তু সিপিএম সেই আসনে প্রার্থী দিয়ে দিয়েছে। যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ প্রসাদ।

দলের জেলা সভাপতিদের নিয়ে বৈঠকে আলোচনায় ঠিক হয়েছিল, সিপিএমের সঙ্গে আসন সমঝোতা হলে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে কংগ্রেসই প্রার্থী দেবে। সেক্ষেত্রে প্রার্থী হিসাবে প্রস্তাবিত ছিল প্রদীপবাবুর নাম। শুক্রবার এ নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সিপিএমকে এই আসন কংগ্রেস ছেড়ে দেওয়ার পিছনে ‘গোপন পরিকল্পনা’র ইঙ্গিত করে ফেসবুকে প্রদীপ লিখেছেন, ‘সিপিএম সূত্রের খবর, প্রদেশ কংগ্রেসই দক্ষিণ কলকাতার বদলে উত্তর কলকাতার আসন চেয়েছে।’ প্রদীপ এ নিয়ে নিজের আপত্তির কথা এবং তা নিয়ে যুক্তি দিয়ে প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরীকে হোয়াটসঅ‌্যাপে লিখেছেন। অধীর তা দেখলেও কোনও জবাব দেননি বলে দাবি প্রদীপের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলায় কটি আসন পাবে বিজেপি? ‘আব কি বার’ হবে কি ৪০০ পার? কী বলছে সমীক্ষা]

তাঁর বক্তব‌্য, ওই আসন বরাবর কংগ্রেসের। ১৯৯৮ সালে শেষবারের জন‌্য ওই আসনে কংগ্রেসের সাংসদ ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়। তার পর লোকসভা হোক বা ওই এলাকার ৭টি বিধানসভা কেন্দ্র, বার বার কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বালিগঞ্জ আসনে দাঁড়িয়ে সিপিএমের জমানত জব্দ হয়েছে। বৈঠকে এত সব আলোচনার পরও কী করে ‘গোপনে’ জেলা সভাপতিকে না জানিয়ে দক্ষিণ কলকাতা আসন সিপিএমকে ছাড়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন প্রদীপের।

এদিকে সিপিএম সূত্রের খবর, দক্ষিণ কলকাতা আসনে যে এবার তারা প্রার্থী দিতে চায়, সে কথা কংগ্রেসের দলীয় বৈঠকের অনেক আগে থেকে অধীরকে জানিয়েছিল। অথচ, তার পরও জেলা সভাপতিদের বৈঠকে সেই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়নি। এক্ষেত্রে অভিযোগের আঙুল উঠেছে অধীর-ঘনিষ্ঠ দু-একজনকে নিয়েও।

[আরও পড়ুন: ‘বিরোধীরা মুখ লুকনোর জায়গা পাবে না’, ইলেক্টোরাল বন্ড ইস্যুতে সাফাই শাহের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.