Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি শাসন

‘বিজেপি-তৃণমূল বোঝাপড়ার জন্যই জারি হচ্ছে না রাষ্ট্রপতি শাসন’, বিস্ফোরক অধীর

মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পরেই পনজি স্কিমের তদন্ত গতি হারিয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৯, ১৫:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৯, ১৫:২৩

options
link
‘বিজেপি-তৃণমূল বোঝাপড়ার জন্যই জারি হচ্ছে না রাষ্ট্রপতি শাসন’, বিস্ফোরক অধীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপি ও তৃণমূলের বোঝাপড়ার জন্যই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে হচ্ছে না। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই অভিযোগই করলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। মুখে রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বললেও বিজেপির নেতারা এবিষয়ে সিরিয়াস নন বলেও দাবি করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: গৃহবধূর মুখে অ্যাসিড ছুঁড়ে খুন, অভিযুক্তদের ধরে বেদম মার প্রতিবেশীদের]

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এরাজ্যের বিজেপি নেতারা পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানাচ্ছেন। আমার মনে হয় যদি সত্যিই সেই ধরনের পরিস্থিতি থাকে তাহলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। কিন্তু, আমাদের প্রশ্ন হল বিজেপি নেতারা বাইরে যা বলছেন ভিতর থেকে সেই বিষয়ে কতটা সিরিয়াস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরই পনজি স্কিমের তদন্ত ঢিমেতালে চলছে। তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কোনও বোঝাপড়া হয়েছে? আর তাই বিজেপি নেতাদের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখানো নিয়ে সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। আদৌও তাঁরা এই বিষয়ে কতটা সিরিয়াস তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।’

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুরে নৃংশসভাবে খুন করা হয় আরএসএসের এক সদস্য, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে। এই ঘটনার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠে আরএসএস ও বিজেপি। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবিও জানায়।

[আরও পড়ুন:‘একদিকে মানুষ খুন হচ্ছে আর অন্যদিকে মস্তি হচ্ছে’, কার্নিভ্যালকে কটাক্ষ দিলীপের]

এপ্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, ‘এই ঘটনার ফলেই প্রমাণ হচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে আইনের কোনও শাসন নেই। এখানে শাসকদলের কেউ বিরোধিতা করলেই তাঁকে আক্রান্ত হতে হয়। ডাকাতি করার পাশাপাশি তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। খুন এবং ধর্ষণও করা হয় অনেককে। আমি অবাক হচ্ছি এই দেখে যে কেন্দ্রীয় সরকার কেন এই রাজ্যের বিষয়ে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই রাজ্যের সরকার সংবিধান মেনে চলছে কিনা কেন তা দেখা হচ্ছে না। আর কেনই বা এখানে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হচ্ছে না।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.