Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
করোনা

করোনা আবহে ফাঁকা কলেজ তহবিল, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকরা

তহবিলে অর্থ না থাকায় চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের বেতন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২০, ১৬:২৪

options
link
করোনা আবহে ফাঁকা কলেজ তহবিল, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের পাশে দাঁড়ালেন অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহে প্রবল অর্থ সংকট দেখা দিলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আশ্বাস মতোই রাজ্য সরকারি কর্মীরা নির্ধারিত সময়ে বেতন পেয়েছেন। কিন্তু রাজ্যের কলেজগুলোয় যে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা রয়েছেন, চরম সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। কারণ, বর্তমানে অধিকাংশ কলেজের তহবিল প্রায় ফাঁকা। এই পরিস্থিতিতে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মী ও অতিথি শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াল অশোকনগর নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়। অধ্যক্ষ ও অধ্যাপকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ব্যবস্থা করা হল আর্থিক সহায়তার।

সরকারি কলেজগুলির চুক্তি ভিত্তিক শিক্ষাকর্মী ও অতিথি শিক্ষকদের বেতনভার থাকে কলেজের উপর। কলেজ তহবিল থেকেই দেওয়া হল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বেতন। রাজ্যের বাকি কলেজের মতোই নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়েও এই পদ্ধতিতেই চলছিল জন্মলগ্ন থেকে। কিন্তু করোনা আবহে যে অদ্ভুত সংকট দেখা দিয়েছে তাতে প্রথম মাসে খুব একট সমস্যা না হলেও এই মুহূর্তে তহবিলও প্রায় শূন্য বছর ২০-এর এই মহাবিদ্যালয়ের। এতেই চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের সাম্মানিক কীভাবে দেওয়া হবে তা তৈরি হয় চরম ধোঁয়াশা। এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়ালেন অধ্যক্ষ-সহ কলেজের ২০ জন অধ্যাপক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টানা লকডাউনে মিলছে না ওষুধ, চরম সমস্যায় বিভিন্ন প্রান্তের থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তরা]

কলেজের বারসার এবং শিক্ষক সংসদের সম্পাদকের ডাকা বৈঠকে স্থির হয় শিক্ষক সংসদের তরফে ৫০ হাজার টাকা ও অধ্যাপকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংগৃহীত ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে মহাবিদ্যালয়কে। যা থেকে মেটানো হবে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকর্মীদের বেতন। এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ ড. সুধানাথ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি জানান, “এতদিন সবদিক সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও, এই পরিস্থিতিতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তবে সহকর্মীদের কথা ভেবে অধ্যপকরা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন তাতে আমি গর্বিত।” তবে শুধু অধ্যাপকরাই নন, বেশ কয়েকজন অশিক্ষক কর্মীও এই উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। দুর্দিনে সহকর্মীদের এভাবে পাশে পেয়ে আপ্লুত চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাও।

[আরও পড়ুন: ভাড়া দিতে অক্ষমদের তুলে দিচ্ছে পুলিশ, দিল্লির অভিজ্ঞতা বর্ণনা স্পেশ্যাল ট্রেনে ফেরা যাত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.