BREAKING NEWS

২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

কৌটো হাতে ভোটে লড়ার টাকা তুলছেন জয়নগরের আরএসপি প্রার্থী সুভাষ নস্কর

Published by: Bishakha Pal |    Posted: March 29, 2019 10:07 am|    Updated: April 20, 2019 5:24 pm

An Images

দেবব্রত মণ্ডল: নিজের নির্বাচনের খরচ নিজেকেই জোগাড় করতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই কৌটো হাতে হাটেবাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জয়নগর কেন্দ্রের আরএসপি প্রার্থী সুভাষ নস্কর। তৈরি করেছেন নতুন স্লোগান “ভোট দিন পয়সা দিন।”

দল ক্ষমতায় নেই। স্বাভাবিকভাবে ভাঁড়ারও তলানিতে ঠেকেছে। ফলে লিফলেট, ব্যানার, পোস্টার, হোর্ডিংয়ের মতো আনুষাঙ্গিক খরচ যোগাড় করতে দিশেহারা হয়ে গিয়েছে রাজ্য পার্টি। যার যার খরচ তাঁদের নিজেদের জোগাড় করতে বলা হয়েছে। বিরোধী দলের হাসাহাসি- মশকরাকে গায়ে না মেখে তাই নয়া স্লোগানে প্রচার করছেন আরএসপির প্রাক্তন মন্ত্রী তথা জয়নগর কেন্দ্রের প্রার্থী সুভাষ নস্কর।                     

যখন রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট, দলের ফান্ডের অবস্থা ছিল স্বাস্থ্যকর। তখন দলকেও খরচ-খরচা নিয়ে ভাবতে হয়নি। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় নেই দল। সেচমন্ত্রীও এখন প্রাক্তন। নির্বাচনী এলাকার মধ্যে নেই কোনও বিধায়কও। ফলে দলের নির্বাচনী তহবিল ভরতে তাই ভরসা কৌটো কালেকশন। ভোটার প্রচারে তাই কৌটো নিয়ে বাজারে নেমে পড়েছেন জয়নগর কেন্দ্রের আরএসপি প্রার্থী সুভাষ নস্কর। স্লোগান- পয়সা ফেলো সঙ্গে ভোট দাও।

[ আরও পড়ুন: সংগঠন মজবুত, বালুরঘাটে জয় ঘিরে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি ]

বাসন্তী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বেশ কয়েকবার জিতে বিধায়ক হয়েছেন সুভাষ নস্কর। বেশ কয়েক বছর সামলেছেন রাজ্যের সেচ মন্ত্রীর দায়িত্ব। গত লোকসভা ভোটে জয়নগর কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রার্থী হন তিনি। এবছরও বাম শরিক হিসাবে আরএসপি এই আসনটি পেয়েছে লোকসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য। কিন্তু সমস্যা হল ভোটের প্রচারের পয়সার। কারণ দল ক্ষমতায় না থাকায় সদস্য চাঁদা অনেক কমে গিয়েছে। লেভিও আসছে না সেইভাবে। ফলে নির্বাচনের তহবিলে টান পড়ায় এবার কৌটো হাতে নামতে হয়েছে প্রার্থী সুভাষ নস্করকে। প্রতিদিন নিয়ম করে দেখা যাচ্ছে চাঁদা তুলতে। বাসন্তীর ভরতগড়, ঝড়খালি, গোসাবার কুমিরমারি সর্বত্র একইভাবে প্রচার করছেন সুভাষ নস্কর। যাঁর যেমন সাধ্য তেমনই টাকা ফেলছেন এই কৌটোতে। বাজারে বাজারে, বাড়িতে বাড়িতে তিনি নিজে হাতে কৌটো নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সঙ্গে থাকছেন বাম কর্মী সর্মথকরা।

এবিষয়ে প্রার্থী সুভাষ নস্কর বলেন, “একটা লোকসভা নির্বাচনের খরচ প্রচুর। দলের ফান্ডে সেই টাকা নেই যে তা দিয়ে খরচা চালানো যাবে। ফলে বাজারে হাটে বিভিন্ন জায়গায় মানুষের কাছে অর্থসাহায্য চাইতে হচ্ছে। দিনের শেষে তা দিয়েই ব্যানার ফ্লেক্স বানাতে হচ্ছে। কর্মীদেরও খরচ মেটাতে হচ্ছে। মানুষ তাতে সাড়াও দিচ্ছেন। আর যাঁরা এই পয়সা দিচ্ছেন তাঁদের আমি ভোট দেওয়ার আহ্বান ও জানাচ্ছি।”

[ আরও পড়ুন: পূরণ হয়নি পাকা রাস্তার দাবি, ভোট বয়কট বর্ধমানের বসতপুরের বাসিন্দাদের ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement