Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬

মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে আত্মঘাতী কিশোরী

পড়াশোনায় অমনোযোগের কারণেই বকাবকি করেছিলেন মা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৮, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৮, ১৭:০৭

options
link
মায়ের বকুনি খেয়ে অভিমানে আত্মঘাতী কিশোরী zoom
প্রতীকী ছবি।

দেবব্রত মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: লেখাপড়ায় অমনোযোগের কারণে মা বকেছিলেন। সেই অভিমানে আত্মঘাতী নবম শ্রেণির ছাত্রী। মৃতের নাম মৌসুমী সর্দার (১৪)। মৃত ছাত্রী জুলপিয়া স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ছিল। মঙ্গলবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বিষ্ণুপুরের জুলপিয়া এলাকায়।

[হোয়াটসঅ্যাপেই জানা যাবে লাইভ আপডেট, নয়া পরিষেবা ভারতীয় রেলের]

মৃতের দাদু গোবিন্দ সর্দার জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে লেখাপড়ায় মন ছিল না মৌসুমীর। সেকারণে রবিবার রাতে খেতে বসে মা তাকে সামান্য বকাবকি করেন। খাওয়ার পর রীতিমতো মুখ ভার করে নিজের ঘরে চলে যায় ওই কিশোরী। সোমবার দিনভর সে ঘরের দরজাই খোলেনি। এদিকে  মৌসুমীর বাবা-মা কলকাতায় পরিচারিকার কাজ করেন। সোমবার সকাল হতেই তাঁরা বেরিয়ে গিয়েছেন। এত সকালে মৌসুমী ঘুম থেকে ওঠে না। বেলা বাড়লেও দরজা না খোলায় দাদু অনেক ডাকাডাকি করেন। তাতেও কোনও সাড়া মেলেনি। বিকেলে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান গোবিন্দবাবু। প্রতিবেশীরা বাড়ির ভিতরে এসে দেখেন মৌসুমীর ঘরের জানলা খোলা। সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে মৌসুমী। তড়িঘড়ি দরজা ভেঙে কিশোরীকে বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ছাত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিতান্ত আর্থিক দূরবস্থার মধ্যে দিন কাটে মৌসুমীদের। সংসার সচল রাখতে বাবা-মা দু’জনেই কলকাতায় পরিচারিকার কাজ করেন। দাদুর তত্ত্বাবধানে একাই বাড়িতে থাকে মৌসুমী। বেশ কিছুদিন হল পড়াশোনাই করছিল না সে। দাদু অনেক বলাতেও কোনও কাজ হয়নি। তাই রবিবার খেতে বসে মা সামান্য বকাবকি করেন। পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেন। তাতেই অভিমান হয় মেয়ের ঘরে গিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। সামান্য বকাবকিতে অভিমান হতেই পারে। কিন্তু সেই অভিমান থেকে কেউ আত্মহননের পথ বেছে নিতে পারে, ভাবতে পারছেন না প্রতিবেশীরা। নির্বাক মৌসুমীর বাবা-মাও।

[নৌকা নেই, সাঁতরে নদী পেরিয়েও ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না বাবা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.