Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
Samik Bhattacharya

ভাষা নয়, শিল্পে মেলায় ভারত! ‘কারও রক্তচক্ষু নেই’, সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণে শিল্পপতিদের আবেদন শমীকের

শনিবার হুগলির ডানকুনিতে লাক্স কোজির কারখানার দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৯:০৯

options
link
ভাষা নয়, শিল্পে মেলায় ভারত! ‘কারও রক্তচক্ষু নেই’, সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণে শিল্পপতিদের আবেদন শমীকের zoom
ডানকুনিতে লাক্সের অনুষ্ঠানে শমীক ভট্টাচার্য।

নির্বাচন চলাকালীন ‘বগিরাগত’ বলে বিভাজনের রাজনীতিতে উসকানি দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একহাত নিয়েছিলেন বিজেপিকেও। কিন্তু মানুষের রায়ে বাংলার মসনদে এখন বিজেপির সরকার। রাজ্যে পালাবদলের পরেই শিল্পক্ষেত্রে জোয়ার এসেছে। দেশের বড় সংস্থাগুলির ডেস্টিনেশন এখন বাংলা। আর সেখানে যে বিভাজনের যে কোনও জায়গা নেই তা স্পষ্ট করে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, ”এই মুহূর্তে বাংলা এবং বাঙালির প্রয়োজন বিনিয়োগ। যারা শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলেন, তাঁরাই শুধু বাঙালি নন, যারা তিন পুরুষ ধরে বাণিজ্য করেছেন, বাঙালিদের কর্মসংস্থান দিয়েছেন, বাড়িতে হিন্দি ভাষায় কথায় বলেন, রাজস্থানি ভাষায় কথা বলেন তাঁরাও আমাদের চোখে বাঙালি। প্রথম সবাই আমরা ভারতীয়, এরপর বাঙালি।” অর্থাৎ ভাষা যে কোনও বাধা হতে পারে না, শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবাই যে এক, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। শুধু তাই নয়, সিঙ্গুরের স্বপ্নপূরণের দিকেও যে নজর দিতে হবে তাও বার্তা দেন তিনি।

শমীক বলেন, ”তৃণমূল দিশাহীন সরকার ছিল। গত ১৫ বছর অনেকটাই রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে। সহযোগিতা করা হয়নি। তালার ভূমিকা পালন করেছিল। যে সমস্ত শিল্পপতিরা এতদিন ডেস্টিনেশন বেঙ্গল বলতেন, তারাই অন্য রাজ্যে বিনিয়োগ করেছেন।”

শনিবার হুগলির ডানকুনিতে লাক্স কোজির কারখানার দ্বিতীয় ইউনিটের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, “আমরা বিনিয়োগ চাই, শিল্প চাই। তার জন্যও সরকার কাজ করে চলেছে।” এই বিষয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও আক্রমণ করেন। শমীক বলেন, ”তৃণমূল দিশাহীন সরকার ছিল। গত ১৫ বছর অনেকটাই রাজ্য পিছিয়ে পড়েছে। সহযোগিতা করা হয়নি। তালার ভূমিকা পালন করেছিল। যে সমস্ত শিল্পপতিরা এতদিন ডেস্টিনেশন বেঙ্গল বলতেন, তারাই অন্য রাজ্যে বিনিয়োগ করেছেন।” এই সমস্ত শিল্পপতিদের বাংলায় ফের বিনিয়োগ করার আবেদন শমীকর। পালাবদলের বাংলায় কারও যে রক্তচক্ষু থাকবে না তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন তিনি। একইসঙ্গে সিঙ্গুর নিয়েও সরকার যাতে ভাবনাচিন্তা করেন, সেই আবেদনও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে রাখেন রাজ্য সভাপতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি জানান, সিঙ্গুরের পিছনে বহু মানুষ আছেন যারা ইমিটেশন তৈরি করেন।
বছরে টার্ন ওভার আড়াই হাজার কোটি টাকা। কোনওদিন সরকারি সাহায্য পায়নি। আমি আজ দলের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও শিল্পমন্ত্রী ও শ্রমমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, অনুগ্রহ করে সিঙ্গুরের দিকে তাকান। যাতে ওখানে ইমিটেশন জুয়েলারি পার্ক তৈরি করা যায়। আর এহেন আবেদনেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন সিঙ্গুরে ইমিটেশন তৈরির সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকরা। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.