২৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৭ জুন ২০২০ 

Advertisement

বিজেপির সংকল্প যাত্রায় হামলার অভিযোগ, মুকুল রায়কে ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: October 20, 2019 9:17 pm|    Updated: October 20, 2019 9:17 pm

An Images

পলাশ পাত্র, তেহট্ট: সংকল্প যাত্রায় নেমে তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। নদিয়ার কালীগঞ্জের দেবগ্রামে তাঁকে দেখে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা কালো ফ্ল্যাগ উঁচিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মুকুল রায় করিমপুরে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন।
রবিবার বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তৃণমূল এমন বাধা তৈরি করেছে, এই অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারপরই ফের সংকল্প যাত্রা এগিয়ে যায় পলাশিপাড়া হয়ে করিমপুরের দিকে। সেখানে দলীয় বৈঠকে মুকুল রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অরবিন্দ মেনন, জেলা সভাপতি মহাদেব সরকার। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে মুকুল রায়ের মন্তব্য, ‘দেখুন গণতন্ত্রে
এসব হয়। কেউ বলতেই পারে, স্বাগত জানাচ্ছি। আবার কেউ বিক্ষোভ দেখাতে পারে। যারাই স্লোগান দিচ্ছিল, তারাই দেখবেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবে। বাংলায় এখন একটাই প্রশ্ন – লোকতন্ত্র থাকবে কি না। মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে, মমতার বিপক্ষে। তা উনি মানতে পারছেন না। তাই জোর করে পুলিশ ক্যাডার দিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যা করছেন।’

[আরও পড়ুন: চিকিৎসায় গাফিলতি! শিশু মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল কান্দি মহকুমা হাসপাতাল ]

মুকুল রায়ের আরও অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। আগামীতে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে, এঁরাই আগে দৌড়বে বলে মনে করেন তিনি। শনিবার করিমপুরে সংকল্প যাত্রার পর রাতে কৃষ্ণনগরের একটি হোটেলে রাত্রিবাস করেন মুকুল রায়। রবিবার সকালে ফের সংকল্প যাত্রার জন্য দেবগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন।

কৃষ্ণনগর থেকে যাত্রা শুরু করার পরই মুকুল রায়ের নেতৃত্বে থাকা দলের সদস্যরা পথেই
জানতে পারেন, বিজেপিতে যোগদান করা সংখ্যালঘুদের উপর তৃণমূলের লোকজন চড়াও হয়েছে, মারধর করা হয়েছে। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
তবে পুলিশের দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। মারামারি হয়েছে পুরনো পাওনা নিয়ে। বিজেপির উপর হামলার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও। কালীগঞ্জের তৃণমূল ব্লক সভাপতি দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের দাবি, ‘বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ তিনি আরও বলেন যে ওই এলাকায় বিজেপির কোনও জায়গাই নেই।

দেখুন ভিডিও: 

 

[আরও পড়ুন: তৃণমূলকে রাজ্য থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করার হুঁশিয়ারি রূপার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement