Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Visva Bharati University

বিশ্বভারতীর রীতি ভেঙে হস্টেলে সরস্বতী পুজো, নিন্দা আশ্রমিক থেকে প্রাক্তনীদের

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৬:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৬:০৭

options
link
বিশ্বভারতীর রীতি ভেঙে হস্টেলে সরস্বতী পুজো, নিন্দা আশ্রমিক থেকে প্রাক্তনীদের zoom

দেব গোস্বামী, বোলপুর: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও মূর্তিপুজোর রেওয়াজ নেই। সেই প্রথা ভেঙে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিশ্রী ছাত্রাবাসের একটি ঘরে এবার সরস্বতী পুজোর আরাধনা হল। আর তাই নিয়েই চরম বিতর্ক তৈরি হল। নিন্দায় সরব প্রাক্তনী, পড়ুয়া, প্রবীণ আশ্রমিক থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করে এখানে নিরাকার ব্রহ্ম উপাসনা শুরু করেছিলেন। পরবর্তীতে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের আর পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি, পঠনপাঠন পদ্ধতিও। এখানে মূর্তিপুজো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরুষ ছাত্রাবাসে কেন পুজো হবে? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Advertisement

প্রবীণ আশ্রমিক ঠাকুর পরিবারের সদস্য সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন, “বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসের মধ্যে মূর্তিপুজো ও ব্যক্তিপুজো বিরোধী। এখানে আশ্রম প্রতিষ্ঠাতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ অথবা বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও কোনও মূর্তি নেই। এমন কাজ যদি পড়ুয়ারা করে থাকে অবশ্যই নিন্দার। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের নজরদারি প্রয়োজন।” প্রাক্তনী সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সরস্বতী পুজোকে ঘিরে পড়ুয়াদের এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দার। যা কখনই কাম্য নয়।”

অন্যদিকে তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের রাহুল আচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে মূর্তিপুজোর চল নেই। ওয়ার্ডেন, নিরাপত্তারক্ষী, থাকা সত্ত্বেও শান্তিশ্রী বয়েজ হস্টেলে কিভাবে সরস্বতী পুজোর আয়োজন হতে পারে। কর্তৃপক্ষের অবশ্যই নজরদারির প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “যারা এই কাজ করলেন, খতিয়ে দেখা প্রয়োজন তাঁরা বিশ্বভারতীর পড়ুয়া কিনা।” বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের বোলপুরে নগর সভাপতি শোভনজিৎ সাহা বলেন, “বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে মূর্তিপুজো নিষিদ্ধ বলেই সরস্বতী পুজোতে শ্যামবাটির এক পড়ুয়ার বাড়িতেই ঘরোয়াভাবে পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। শান্তিশ্রী হস্টেলে সরস্বতী পুজোর আয়োজন অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং নিন্দারও।” যদিও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.