Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নয়া শিক্ষানীতির বিরোধিতা সেভ এডুকেশন কমিটির

নয়া শিক্ষানীতির বিরোধিতা রাষ্ট্রপতির দরবারে, রাইসিনায় চিঠি পাঠাচ্ছে ‘সেভ এডুকেশন কমিটি’

১৮ তারিখ দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে কমিটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ১৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ১৯:৫১

options
link
নয়া শিক্ষানীতির বিরোধিতা রাষ্ট্রপতির দরবারে, রাইসিনায় চিঠি পাঠাচ্ছে ‘সেভ এডুকেশন কমিটি’ zoom

দীপঙ্কর মণ্ডল: কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া শিক্ষানীতির (New Education Policy 2020) প্রতিবাদে একাধিক কর্মসূচি শুরু করল সেভ এডুকেশন কমিটি। এদিন কমিটি আয়োজিত ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্টরা। সকলেই জাতীয় শিক্ষানীতির ত্রুটিবিচ্যুতিগুলি তুলে ধরেন। ওয়েবিনারে অংশগ্রহণকারী অধ্যাপক তথা কমিটির সদস্য তরুণ নস্কর জানিয়েছেন, এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে। আগামী ১৮ আগস্ট গোটা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি, নয়া শিক্ষানীতি সংশোধনের দাবিতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠিও পাঠানো হচ্ছে সেভ এডুকেশন কমিটির তরফে।

ওয়েবিনারে যোগ দেন প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও জহর সরকার। তাঁর কথায়, “এই শিক্ষানীতি দেখে মনে হয়, এটা একটা তুঘলকি কাণ্ডকারখানা। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো বিচার বিবেচনা না করে কেন্দ্রীয়করণের চেষ্টা। ভারতের ঐতিহ্য, সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে এই শিক্ষানীতি তৈরির নামে শিক্ষার গৈরিকীকরণের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। এত বড় বড় কথা বলেছে, কিন্তু আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা করেনি।” প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল বিমল চট্টোপাধ্যায় ওয়েবিনারে বলেন, “আমি মুক্ত এবং স্বাধীন শিক্ষার পক্ষে, তাই এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে। ক্ষমতায় এসে ২০১৪ সাল থেকেই শিক্ষা সম্পর্কিত যে যে প্রতিষ্ঠান ছিল, সেখান থেকে মুক্ত মনের মানুষকে তাড়িয়েছে। সিবিএসই সিলেবাস থেকে যা যা বাদ দিয়েছে, তাতে গৈরিকীকরণের ঝোঁক আছে। এই শিক্ষানীতি চালু হলে যাদের বিত্ত আছে, তারাই কেবল শিক্ষা পাবে। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আদানি, আম্বানির ছেলেমেয়েরা পড়বে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শুরু স্নাতকে ভরতি, কোথায় কবে জেনে নিন]

সারা ভারত সেভ এডুকেশন কমিটির সম্পাদক অনীশ রায়ের বক্তব্য, “এই শিক্ষানীতি রচয়িতারা আধুনিক শিক্ষার জনক রামমোহন – বিদ্যাসাগরের নামের উল্লেখ করেননি।” প্রাক্তন উপাচার্য ও সভাপতি চন্দ্রশেখর চক্রবর্তী বলেন, “পদার্থবিদ্যার সঙ্গে নাচ শেখানোকে কেন্দ্র হোলিস্টিক শিক্ষা বলেছে। অন্যদিকে ক্লাস্টার স্কুল তৈরির মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার সর্বনাশ করছে।” কমিটির রাজ্য সম্পাদক তরুণবাবুর অভিযোগ, “কেন্দ্রের নয়া শিক্ষানীতিতে শিক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে, যা শিক্ষাস্বার্থ বিরোধী। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশজুড়ে এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে কোটি কোটি মানুষের অনলাইন সই সংগ্রহ হবে। রাষ্ট্রপতির কাছে শিক্ষাবিদ-বুদ্ধিজীবীদের সই সম্বলিত প্রতিবাদপত্র পাঠানো হবে।”

[আরও পড়ুন: অপহরণের পর দু’লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি, দিতে না পারায় ৭ বছরের শিশুকে খুন দুষ্কৃতীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.