BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অপহরণের পর দু’লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি, দিতে না পারায় ৭ বছরের শিশুকে খুন দুষ্কৃতীদের

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: August 9, 2020 5:47 pm|    Updated: August 9, 2020 6:00 pm

An Images

শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: সকালে বেপাত্তা হয়েছিল সাত বছরের শিশুটি। কিছুক্ষণ পর দু’লক্ষ টাকা মুক্তিপণের দাবি জানিয়ে ফোন এসেছিল বাড়িতে। সেই টাকা দিতে না পারায় ক্ষতবিক্ষত করে খুন করা হল শিশুকে! মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জের পুরাতন ডাকবাংলা এলাকায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে খেলছিল রায়হান মহলদার নামে ওই শিশুটি। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় সে। টানা দু’ঘণ্টা হদিশ না মেলায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু পাওয়া যায়নি কোথাও। এরপর দুপুর দুটো নাগাদ ফোনে মুক্তিপণ বাবদ শিশুর বাবার কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে দুষ্কৃতীরা। কিন্তু শিশুটির বাবা, পেশায় দিনমজুর সিরাজ মহলদারের পক্ষে এত টাকা দেওয়া সম্ভব ছিল না। ফোনে সেকথা জানিয়ে ছিলেন তিনি। এরপরই এলাকার একটি আমবাগানের পাশে মেলে শিশুটির মৃতদেহ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

[আরও পড়ুন: হালিশহরে বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবাজি, ‘আটক’ আক্রান্তই]

মৃত শিশুর কাকার কথায়, ওই খুদের বাবা সিরাজ মহলদারের সঙ্গে বছর খানেক আগে শেয়ারে লটারির টিকিট কেটে ১৮ লক্ষ পেয়েছিলেন তিনি। সেই টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে এলাকার বদরুল শেখ ও সুলিতলার সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে মনোমালিন্য চলছিল সিরাজের। সেই অশান্তির কারণেই এই ঘটনা বলেই অনুমান তাঁর। অভিযু্ক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিশুর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, মৃত শিশুর পরিবার ও পরিজনদের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। লটারির টাকার ভাগ নিয়ে ঠিক কী হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুতই অভিযুক্তদের হদিশ মিলবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা। এবিষয়ে জঙ্গিপুরের এসপি ওয়াই রঘুবংশী জানান, “দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে।”

[আরও পড়ুন: প্রেমিকার সঙ্গে ফোনালাপ, ঘনিষ্ঠতা, আচরণ সহ্য করতে না পেরে ছেলেকে খুন করল বাবা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement