Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bankura

‘কারখানাটা বাঁচান, বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, শিল্প প্রতিমন্ত্রীকে পেয়ে কাতর আর্জি শ্রমিকদের

বিধানসভার অধিবেশনের সময় বিষ্ণুপুরের বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, দ্বারিকা শিল্পতালুকে আগে প্রায় ১৮টি কারখানা চালু ছিল। তৃণমূল সরকারের আমলে সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি ও স্থানীয় দাপুটে নেতাদের তোলাবাজির জেরে অধিকাংশ শিল্প একে একে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ২০:৩৫

link
অসিত রজক
অসিত রজক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ২০:৩৫

options
link
‘কারখানাটা বাঁচান, বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, শিল্প প্রতিমন্ত্রীকে পেয়ে কাতর আর্জি শ্রমিকদের zoom
শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র।
Advertisement

‘কারখানাটা বাঁচান, বাচ্চাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে।’ শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের সামনে কান্নায় ভাঙলেন বিষ্ণুপুরের দ্বারিকা শিল্পতালুকের টাটা স্টিল কারখানার শ্রমিকরা। এই কারখানাই তাঁদের আয়ের উৎস। ঘর, সংসার, বাচ্চাদের পড়াশোনা সবটাই এই কারখানার উপর নির্ভরশীল। বন্ধ হয়ে গেলে পথে বসার পরিস্থিতি তৈরি হবে। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে হাতজোড় করলেন শ্রমিকরা। প্রতিমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করে জানান, কারখানা চালু রাখা ও কর্মসংস্থান রক্ষায় রাজ্য সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। 

বিধানসভার অধিবেশনের সময় বিষ্ণুপুরের বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, দ্বারিকা শিল্পতালুকে আগে প্রায় ১৮টি কারখানা চালু ছিল। তৃণমূল সরকারের আমলে সিন্ডিকেট রাজ, কাটমানি ও স্থানীয় দাপুটে নেতাদের তোলাবাজির জেরে অধিকাংশ শিল্প একে একে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনটা শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শিল্পাঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শুক্রবার বিষ্ণুপুর শহরের উপকণ্ঠে দ্বারিকা শিল্পতালুক পরিদর্শনে আসেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক, মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিক, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, শিল্প দপ্তরের প্রতিনিধিরা। ছিলেন বিভিন্ন কারখানার কর্তৃপক্ষও।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এ দিন এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠকে শিল্পাঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলির পুনরুজ্জীবন। টাটা স্টিল কারখানাকে কীভাবে সচল রাখা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তখনই প্রতিমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে কাতর আর্জি জানান শ্রমিকরা। তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাসের পর আশায় বুক বেঁধেছেন শ্রমিকরা। টাটা স্টিল-সহ অন্যান্য বন্ধ থাকা বা ধুঁকতে থাকা ইউনিট ফের চালু হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.