নতুন ক্রীড়া প্রশাসন আইন মেনে নির্বাচন হতে চলেছে জাতীয় ভলিবল ফেডারেশনে। কিন্তু সেখানে অংশ নিতে পারবে না বঙ্গ ভলিবল সংস্থা। কারণ সেই নির্বাচনের যে ‘ভোটার লিস্ট’ প্রকাশ করেছে ফেডারেশন, তাতে নাম নেই বাংলার কোনও প্রতিনিধির।
কেন এই পরিস্থিতি? সূত্রের খবর, রাজ্য সংস্থার সচিব পল্টু রায়চৌধুরীর নিয়মভঙ্গের জেরেই ফেডারেশনের নির্বাচনে ‘ব্রাত্য’ থাকছে বাংলা। নির্বাচনে ভোটার হিসেবে পার্থ দাস এবং বিশ্বজিৎ ঘোষের নাম ফেডারেশনের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি। যদিও বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক না ডেকেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সচিব। যা নিয়ে তাঁরা ফেডারেশনের ইলেক্টোরাল অফিসারের দ্বারস্থ হন। তিনি দু’পক্ষের সঙ্গেই কথা বলেন। তারপর ফেডারেশনের ‘ভোটার লিস্ট’ প্রকাশিত হলে দেখা যায়, তাতে নাম নেই বাংলার কোনও প্রতিনিধির। অর্থাৎ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না বাংলা।
আরও পড়ুন:
কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক না ডেকে প্রতিনিধির নাম না পাঠানোর অভিযোগ মেনে নিয়েছেন সচিব। তাঁর দাবি, “৩ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন নির্বাচনের জন্য দুই প্রতিনিধির নাম পাঠানোর চিঠি পেয়েছি। নাম পাঠাতে হত ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। অত তাড়াতাড়ি কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা যায় না। কারণ জেলা সংস্থাগুলিও কমিটির সদস্য। জেলার লোকের পক্ষে এত দ্রুত কলকাতা এসে বৈঠকে যোগ দেওয়া সম্ভব নয়।” কিন্তু সেই বৈঠক কি অনলাইনে করা যেত না? যেখানে করোনা-পরবর্তী বিশ্বে অনলাইন বৈঠক সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। সেই প্রসঙ্গে কোনও স্পষ্ট জবাব দেননি সচিব। তবে তাঁর দাবি, সংস্থার অফিস বেয়ারারদের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অবশ্য প্রাথমিকভাবে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি জানা নেই বলে জানান সচিব। তারপরেই বলেন, বাংলার নাম ফেরানোর জন্য চিঠি লিখছেন তিনি। কিন্তু জানা না থাকলে কীভাবে চিঠি লিখছেন তিনি? প্রশ্ন করতেই সচিবের জবাব, “মৌখিকভাবে বিষয়টি জেনেছি।”
বিরোধীদের অভিযোগ, ফেডারেশন থেকে নির্বাচনে প্রতিনিধিত্ব সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছিল ২৯ আগস্ট, ৩ সেপ্টেম্বর নয়। চিঠি পেয়ে নিজের অনুগামীদের সঙ্গে বৈঠক করে দু’টি নাম পাঠিয়ে দেন সচিব। প্রাক্তন ভলিবলার গোবিন্দ ভট্টাচার্যের কথায়, “অনৈতিকভাবে নিজের বৃত্তে থাকা লোকজনের সঙ্গে কথা বলে দু’টো নাম পাঠিয়ে দেন সচিব। এমনিতেও যাবতীয় কাজ তাঁদের সঙ্গে কথা বলেই করেন তিনি। আমরা অতীতেও এর প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু সচিব আমাদের কথা শোনেন না।” বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবাদে সরব হন বিরোধীরা। ফেডারেশনের ইলেক্টোরাল অফিসারকে তারা ই-মেইল করেন। এরপরই শুনানি হয়। এবং ‘ভোটার লিস্ট’ থেকে বাদ পড়ে বাংলা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সীমান্তপাচার থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, শেহজাদ ভাট্টি গোষ্ঠীকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা কেন্দ্রের
-
রুশ তেল কেনার ‘শাস্তি’, ভারতের উপর ১০০ শতাংশ শুল্কবাণের পথে আমেরিকা! বৃহস্পতিতেই চূড়ান্ত
-
দু’বছর আগে হেরেছিলেন ১০ লক্ষ ভোটে! অসমে ফের ভোট ময়দানে সেই ‘আতর সম্রাট’
-
ধর্মতলায় মমতার বাংলাদেশ মন্তব্যে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ হাই কোর্টের
-
আবাসের টাকায় বানিয়ে ফেলেছেন বাড়ি! হঠাৎ এল ফেরতের নোটিস, বিপাকে বীরভুমের আলেনুর