একে তো পাকিস্তান দল থেকে বাদ পড়েছেন। তার উপর রয়েছে গড়াপেটার সন্দেহ। ইতিমধ্যে পাকিস্তানের ক্রিকেটার মহম্মদ রিজওয়ানকে একপ্রস্থ জেরা করেছে সেদেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছিল। তা এখনও ফেরত দেয়নি। সেই নিয়ে প্রবল অসন্তুষ্ট প্রাক্তন পাক অধিনায়ক। কেন তাঁকে ডেকে হেনস্তা করা হল? কেন তাঁর ফোন আটকে রাখা হয়েছে? প্রশ্ন তুলেছেন রিজওয়ান।
পাকিস্তান ক্রিকেটে এই মুহূর্তে রীতিমতো নাটক চলছে। ইংল্যান্ডের কাছে চুনকাম। মাঠের বাইরে অন্য সমস্যা। সিরিজ চলাকালীন সাতজনকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। যার মধ্যে আছেন রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হক। গড়াপেটার আশঙ্কায় দলের বাকিদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়। দেশে ফিরে রেহাই পাননি পাকিস্তানের দুই ক্রিকেটার। লাহোরের জোহর টাউনে সাইবার ক্রাইমের সদর দপ্তরে রিজওয়ান ও ইমামকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
আরও পড়ুন:
পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, এখনও রিজওয়ানের ফোন আটকে রেখেছে সাইবার ক্রাইম বিভাগ। পুরো ঘটনা নিয়ে এবার পালটা দিয়েছেন পাক তারকা। “কেন আমাকে জেরা করার জন্য ডাকা হল? আমি এর স্পষ্ট উত্তর চাই,” দীর্ঘ চিঠি পাঠিয়েছেন সাইবার ক্রাইম দপ্তরে। পাক ক্রিকেট বোর্ড তাঁর মোবাইল কেড়ে নিয়েছিল। পরে সেটা সাইবার ক্রাইম দপ্তরে দিয়ে দেয়। এখনও সেই ফোন ফেরত পাননি রিজওয়ান। কেন? সেই প্রশ্ন তুলে মোবাইল ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ৩৪ বছর বয়সি ক্রিকেটার।
ইমাম ও রিজওয়ানের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার করা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। যেভাবে খবর ফাঁস হয়েছে, তাতে দু’জনের উপর সন্দেহ। প্রায় চার ঘণ্টা তাঁদের জেরা করা হয়। ইমাম চোটের নাটক করে সমস্যায়। আর দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স এবং দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে মহম্মদ রিজওয়ানের গোটা কেরিয়ারটাই শেষ হতে বসেছে। পিসিবি সূত্রের খবর, আগামী দিনে আর রিজওয়ানকে জাতীয় দলে সুযোগই দিতে চায় না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মুণ্ডচ্ছেদের আগে যেমন ছিলেন গণেশ! দেশের একমাত্র এই মন্দিরে সেই রূপেই পূজিত হন গণপতি
-
‘ওর পছন্দ…’, বিয়ের আগে হবু বরের প্রেমে মজে মিমি, অঙ্কুশ খোঁচা দিতেই বাঁধল দ্বন্দ্ব!
-
‘বন্ধু’ মোদির প্রতিশ্রুতি! অবশেষে হারানো জমি ফিরে পেলেন অসহায় সহপাঠী
-
গণেশ পুজোর মণ্ডপে নীল-সাদা কাপড় কেন? জোর করে খোলালেন বিজেপি নেতা! পাশে দাঁড়াল না দল
-
ইরানে মাঝআকাশে মৃত্যুর হাতছানি! ইঞ্জিনের সমস্যায় তীব্র ঝাঁকুনি যাত্রীবাহী বিমানে, তারপর….