Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Shiva linga

বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে গঙ্গার ধারে উদ্ধার শিবলিঙ্গ, ‘ঈশ্বর’ দর্শনে ভিড় ভক্তদের

কীভাবে এই শিবলিঙ্গ এল পূর্বস্থলীতে? প্রশ্নের উত্তর কারও জানা নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২১, ০৮:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২১, ০৮:৫৪

options
link
বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে গঙ্গার ধারে উদ্ধার শিবলিঙ্গ, ‘ঈশ্বর’ দর্শনে ভিড় ভক্তদের zoom
Advertisement

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: বাস্তব থেকে অনুপ্রেরণা পায় সিনেমা। আবার কখনও কখনও সিনেমার কাহিনি বাস্তবকেও হার মানায়। এমনই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানের (Bardhaman) পূর্বস্থলী থানার পাটুলি এলাকায়। গঙ্গার ধারে উদ্ধার হয়েছে শিবলিঙ্গ (Shiva linga)। আর তাতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ভক্তিরসে ভাসছেন ভক্তরা।  

ঘটনাটি ঘটে রবিবার বিকেলের দিকে। স্থানীয়সূত্রে জানা গিয়েছে,পূর্বস্থলীর পাটুলি মহাজনপটি এলাকায় গঙ্গার ধারে গিয়েছিলেন এলাকার ব্যবসায়ী রবি বর্ধন। তিনিই প্রথম শিবলিঙ্গটি দেখতে পান। উলটোভাবে তা গঙ্গার ধারে পড়েছিল। মাথার দিকটা গঙ্গার জল ছুঁয়ে ছিল। কাদা লেগেছিল সর্বত্র। এমন অবস্থায় শিবলিঙ্গ পড়ে থাকতে দেখে তিনিই স্থানীয় মানুষজনকে জানান। খবর পেয়েই এলাকাবাসী ছুটে ঘটনাস্থলে চলে আসেন। অল্প সময়েই ভিড় জমে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গেরুয়া শিবিরে অব্যাহত ‘প্রার্থী’ বিক্ষোভ, দিনভর উত্তপ্ত কলকাতা ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত

স্থানীয়দের উদ্যোগেই শিবলিঙ্গটি তুলে আনা হয়। চারপাশে লেগে থাকা কাদা ধুয়ে পরিষ্কার করা হয়। ধোয়ার পর দেখা যায় শিবলিঙ্গটির কিছুটা অংশ ভাঙ্গা।  তবে স্থানীয়রা ঠিক করেন, শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠা করা হবে। যেমনি ভাবা, তেমনি কাজ। শুরু হয়ে যায় প্রস্তুতি।  কাছেই ছিল কালী ঠাকুরের একটি বেদী। সেখানেই শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরু হয় পুজো-অর্চনা। ভক্তিভরে কেউ ঢালছেন দুধ, কেউ দিচ্ছেন মালা, কেউ আবার প্রসাদও নিবেদন করছেন।

কিন্তু কীভাবে এই শিবলিঙ্গ এল পূর্বস্থলীতে। সে বিষয়ে এখনও কোনও ধারণা নেই স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টু ঘোষ, বাপি সাহাদের।  রবিবার বিকেলে খবর পেয়ে তাঁরাও ছুটে এসেছিলেন। সোমবারের পুজো পর্ব শুরু হওয়ারও সাক্ষী। জানান, এর আগেও পূর্বস্থলী এলাকায় কিছু দেব-দেবীর মূর্তি পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে, কোথা থেকে তা আসছে সেই সম্পর্কে কারও কোনও ধারণা নেই। তবে প্রতিবারই ভক্তিভাবে  ঈশ্বরকে গ্রহণ করেন ভক্তরা। এভাবেই প্রতিষ্ঠা করেন এলাকায়। নিয়মিত পুজো-অর্চনা হতে থাকে।

[আরও পড়ুন: করোনাতঙ্কে আবির তৈরি বন্ধ থাকায় সংকটে শ্রমিকরা, ফুলবাড়িতে ফিকে ভোট উৎসবের রং

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.