সুব্রত বিশ্বাস ও অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: শালিমার স্টেশনের বাইরে শুটআউট। বিকেল পাঁচটা নাগাদ স্থানীয় এক তৃণমূল যুবনেতাকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বেসরকারি হাসতাপাতালে ভরতি তিনি। কী কারণে, কারা তাঁর উপর হামলা করল তা এখনও অজানা।
হাওড়া বি গার্ডেন এলাকার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র সিং তৃণমূল করতেন। কোনও পদে না থাকলেও এলাকায় যুবনেতা হিসেবেই পরিচিত তিনি। প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ধর্মেন্দ্র। এদিন সেই কাজ সেরেই বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তখনই এই ঘটনা ঘটে।
[আরও পড়ুন :‘রাজীব গান্ধী আমাকে দেখিয়ে বলেছিলেন, ওঁর মতো হও’, বোলপুরে স্মৃতি রোমন্থন মুখ্যমন্ত্রীর]
এক প্রত্যক্ষদর্শী রঞ্জিত চৌধুরি জানান, শালিমার স্টেশনের বাইরে তিন নম্বর গেটের কাছে বাইকে চেপে ওভারব্রিজে উঠছিলেন ধর্মেন্দ্র। অন্য এক যুবকের বাইকে ছিলেন তিনি। দুটি বাইক তাঁদের অনুসরণ করছিল। ওভারব্রিজে ওঠার মুখে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে ধর্মেন্দ্রকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। প্রায় ১০ মিনিট পর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় ছয় রাউন্ড গুলি চলেছে। তবে এ কথার সত্যতা পুলিশ স্বীকার করেনি। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা খতিয়ে দেখছে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আততায়ীদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। রাজনৈতিক নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতা, নাকি এই হামলার পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হাওড়া জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান অরূপ রায় জানান, ধর্মেন্দ্র কোনও পদে ছিলেন না। কিন্তু এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিল। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো, তদন্ত করে দেখা হবে।
[আরও পড়ুন : টাকা না মেটানোয় বন্ধ হাওড়ার ফুডপ্লাজা, যাত্রী পরিষেবা থমকে থাকায় ক্ষুব্ধ রেল]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে উপস্থিত সোনম ওয়াংচুক, কী বার্তা ‘র্যাঞ্চো’র?
-
পুরবোর্ড টিকলে পরবর্তী মেয়র কে? রবিতে তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা
-
কাজু-আমন্ড অতীত, এই চেনা ফলের বীজই ‘সুপারফুড’!
-
বাবুঘাটে তলিয়ে গেলেন আরজিকর কাণ্ডের প্রতিবাদী, ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে রহস্য
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত