দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: প্রায় সাত মাস নিখোঁজ থাকার পর মাটির নিচ থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। বুধবার সকালে বাসন্তীর পূর্ব বয়ার সিং এলাকা থেকে ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত সনাতন সর্দার ওরফে বুলেটকে জেরা করে এদিন ১২ বছরের সুজাতা মণ্ডলের দেহের সন্ধান মিলেছে।
[আরও পড়ুন: এখনও নিখোঁজ নোডাল অফিসার, তদন্তের দাবিতে জেলাশাসকের দপ্তরে সুজন]
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বাসন্তীর বাসিন্দা গোবর্ধন মণ্ডলের মেয়ে সুজাতা মণ্ডল কাকদ্বীপের একটি স্কুলের হস্টেলে থেকে পড়াশুনা করত। গত বছর দুর্গাপুজোর সময় বাড়িতে আসে সে। নবমীর দিন প্রতিবেশী সনাতন সর্দার ও পরিচিত এক যুবকের সঙ্গে একটি মেলায় যায় ওই নাবালিকা। তারপর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি পরও তার খবর পাওয়া যায়নি। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে গত বছর নভেম্বর মাসে ওই নাবালিকার পরিবার বাসন্তী থানায় এবং চাইল্ড লাইনে নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনার তদন্তে নেমে এক সপ্তাহ আগে সনাতন সর্দার ওরফে বুলেটকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, ওই নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছিল সে।
[আরও পড়ুন: নির্বাচনে কালো টাকা খরচ করছে বিজেপি, শ্রীরামপুরের সভায় বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী]
তার থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বাসন্তীর বিডিও সৌগত সাহা, এসডিপিও দেবীদয়াল কুণ্ডু, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ও ওসি সৌমেন বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে মাটি খুঁড়ে ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ নাবালিকার কঙ্কালসার দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ওই নাবালিকার বাবা গোবর্ধন মণ্ডলের দাবি, “আমার মেয়েকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের ফাঁসি চাই।” ধৃতের অভিযোগ, ‘ওই নাবালিকা আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার পর টাকাপয়সা চেয়ে ব্ল্যাকমেল করছিল।’ সেই কারণেই নাবালিকাকে খুনের ছক। জেরায় স্বীকার করে নেন অভিযুক্ত।
সর্বশেষ খবর
-
আরও সুগম হবে লাদাখ! ফোটু লা পাসে তৈরি হচ্ছে নতুন সুড়ঙ্গ, ৮২৪ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রের
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?