৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধীমান রায়, কাটোয়া: সাপ ধরাই তাঁর নেশা। তাই কারও বাড়ি সাপের দেখা মিললে এক ফোনেই সেখানে হাজির হয়ে যান বাপি সর্দার। বিষধর সাপ ধরে মাঠে ছেড়েদেন তিনি। এই কাজের জন্যই পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাউড়িপাড়ার বাসিন্দা বাপি এলাকার সবার কাছেই পরিচিত। ঘটনাচক্রে সেই সর্পপ্রেমীই এবার গোখরোর ছোবল খেয়ে ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

[আরও পড়ুন: পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ায় গৃহবন্দি পরিবার, পুলিশের তৎপরতায় মিলল রেহাই]

জানা গিয়েছে, পেশায় রঙের মিস্ত্রি বাপি সর্দার। স্রেফ শখের বশেই সাপ ধরেন তিনি। সেই কারণে কারও বাড়িতে বিষধর সাপের দেখা পাওয়া গেলেই ডাক পড়ে বাপির। বিনা পারিশ্রমিকেই ছাড়াই সাপ ধরে নিয়ে যান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ ভাতার সংলগ্ন পালাড় এলাকার বাসিন্দা দীপন ঘড়ুইয়ের বাড়িতে একটি চার ফুটের গোখরো সাপ দেখা যায়। এরপরই তিনি খবর দেন বাপিকে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে হাজির হন বাপি। ভোর পাঁচটার মধ্যেই সাপটিকে নিয়ে ফিরেও যান। 

 গোখরোটিকে কিছুক্ষণ বাড়িতে রেখে সেটিকে বস্তায় ভরে বেলেন্ডা খাল পাড়ের কাছে মাঠে ছাড়তে যাচ্ছিলেন তিনি। ভাতার বাজারে পৌঁছতেই স্থানীয়রা বুঝতে পারেন বাপির হাতে থাকা বস্তায় সাপ রয়েছে। এরপরই পরিচিতরা বাপিকে সাপটি দেখানোর জন্য অনুরোধ করেন। সেই সময় বস্তা থেকে সাপটিকে বের করে লোকজনকে দেখাচ্ছিলেন বাপি। অনেকে মোবাইলে সাপটির ছবিও তুলছিলেন। আচমকা গোখরোটি মাথা ঘুরিয়ে বাপির হাতে ছোবল মারে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, “বাপিদা সাপটি ধরে দেখানোর সময় অনেকে বলছিলেন সাপটি ফণা তুলছে না। সেই কথা শুনে বাপিদা হাতটি একটু আলগা করতেই ওঁর হাতে ছোবল মারে সাপটি।” সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রাই বাপিকে উদ্ধার করে ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে ভরতি করেন। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তি। 

[আরও পড়ুন: ফিকে হয়েছে বারো বছর আগের স্মৃতি, তাপসী মালিকের মূর্তি ঢাকল আগাছায়]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং