BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউন অগ্রাহ্য করে খুলল সেলুন, পুলিশের ভূমিকায় অসন্তষ্ট ব্যবসায়ীদের একাংশ

Published by: Sayani Sen |    Posted: May 8, 2020 6:19 pm|    Updated: May 8, 2020 6:19 pm

An Images

অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: লকডাউনে সেলুন খোলা না রাখার ব্যাপারে কড়া নির্দেশিকা রয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খড়গপুর শহরের পাঁচবেড়িয়া, ইন্দা, ঝাপেটাপুর, সুভাষপল্লি, খরিদা বাজার-সহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু সেলুন নিয়মিত খুলছে। তার মধ্যে খড়গপুর টাউন থানার সামনের একটি সেলুনও রয়েছে। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বাকি সেলুনের মালিকেরা। পুলিশের ভূমিকায় খড়গপুর শহরের অধিকাংশ সেলুনের মালিক ক্ষুব্ধ।

তাঁদের বক্তব্য, হয় সবকটি সেলুন দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হোক। না হলে একটি সেলুন যাতে না খোলে সেই ব্যাপারে পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। অভিযোগ, লকডাউন বহাল থাকলেও পুলিশের নাকের ডগায় ৩০ থেকে ৪০টি সেলুন দু’বেলা নিয়মিত খুলছে। তার মধ্যে খড়গপুর টাউন থানার সামনের একটি সেলুন যেমন রয়েছে তেমনই খরিদা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরে খরিদা ইউনিয়ন বিল্ডিং এলাকায় একটি পার্লার বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে খড়গপুর বারবার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অক্ষয় কুমার দাস রীতিমতো ক্ষোভপ্রকাশ করেন।

[আরও পড়ুন: প্রসব যন্ত্রণায় কাতর পরিযায়ী শ্রমিক, প্রশাসনিক তৎপরতায় সুস্থ সন্তানের জন্ম]

তিনি বলেন, “খড়গপুর শহরে ৩৭৩টি সেলুন রয়েছে। তার অধিকাংশই লকডাউনের নির্দেশিকা মেনে দোকান বন্ধ রেখেছেন। সকলেই নিয়ম মানছেন। শুধুমাত্র ৩০-৪০টি সেলুন খোলা রাখছে। তার মধ্যে খড়গপুর টাউন থানার সামনে একটি সেলুন রয়েছে।” রীতিমতো ক্ষুব্ধ অক্ষয়বাবু জানালেন, “পুলিশকে স্পষ্ট বলেছি হয় সব সেলুন খোলার অনুমতি দেওয়া হোক। তা না হলে সমস্ত দোকান বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করা হোক। লকডাউনে সমস্ত ব্যবসার মতো সেলুনও ব্যাপক ক্ষতির মুখে। তার মধ্যে সরকারের নির্দেশ অমান্য করে গুটিকয়েক সেলুন মালিক ব্যবসা চালিয়ে যাবেন ও রোজগার করবেন তা হতে পারে না। আর বেশিরভাগ সেলুন মালিক দোকান নিয়ম মেনে দিনের পর দিন দোকান বন্ধ রেখে ক্ষতির বোঝা বাড়িয়ে যাবেন তা হয় না।

অপরদিকে পুরপ্রধান তথা বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেছেন, “নিয়ম সকলের জন্য একই হওয়া উচিত।” খড়গপুর টাউন থানার আইসি রাজা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সংগঠনের সম্পাদকের কাছে খোলা থাকা সেলুনের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পুলিশ কর্মীদের চুল কাটার জন্য থানার সামনের সেলুনটি খোলা থাকবে বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি। যদিও এই সেলুনের মালিক রামু ঠাকুর জানিয়েছেন, শনিবার সকাল থেকে আর সেলুন খুলবেন না।

[আরও পড়ুন: হাতেগোনা যাত্রী নিয়েই গ্রিন জোন পুরুলিয়ায় চলল সরকারি বাস]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement