শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় মুক্তির দাবিতে সরব বন্দিরা। দাবিপূরণ না হওয়ায় সংশোধনাগারে বিক্ষোভ দেখায় তারা। নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলাও চালায় তারা। তার জেরে উত্তপ্ত জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। ইতিমধ্যে বিশাল পুলিশবাহিনী গোটা সংশোধনাগার ঘিরে রেখেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন বন্দি জখম হয়েছে। তবে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের তরফে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত কোনও তথ্য জানানো হয়নি।
শনিবার দুপুরে আচমকাই একদল বন্দি জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের ভিতর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাদের দাবি একটাই করোনা সংক্রমণ রুখতে তড়িঘড়ি মুক্তি দিতে হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষীরা বিক্ষোভকারীদের এগিয়ে যায়। তাতেই বাধে গন্ডগোল। বিক্ষোভকারী বন্দিরা নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছুঁড়তে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে বিশাল পুলিশবাহিনী সংশোধনাগারের সামনে এসে জড়ো হয়। তবে বিক্ষোভের ঝাঁজ বেশি থাকায় এখনও পর্যন্ত ভিতরে খেই ঢুকতে পারছেন না। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকজন বন্দি জখম হয়েছে। তবে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের তরফে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত কোনও তথ্য জানানো হয়নি।
[আরও পড়ুন: মৃতদের রেশন কার্ড ব্যবহার করে খাদ্যসামগ্রী মজুতের অভিযোগ, ধৃত বিজেপি নেতা]
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামনে এসেছে একাধিক প্রশ্ন। কীভাবে বন্দিরা নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলা করার জন্য ইট, পাথর পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় প্রায় সমস্ত সংশোধনাগার থেকেই জামিনে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে বন্দিদের, তা সত্ত্বেও এই ঘটনার সূত্রপাত ঠিক কী, সে বিষয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। বেশ কয়েকদিন আগে বন্দি বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। ঝরে রক্ত। প্রাণহানির ঘটনাও শিরোনামে আসে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েও কেন জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হল না, প্রশ্নটা উঠছেই।
সর্বশেষ খবর
-
টানা অনশনে শারীরিক অবস্থার অবনতি! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঝাড়খণ্ডের ‘ওয়াংচুক’কে
-
চিনা মাঞ্জায় গলা কাটল বাইক আরোহী পুলিশ অফিসারের! মা ফ্লাইওভারে বাড়ল টহলদারি
-
ইন্দিরা হত্যাকারীর ছেলে লড়বেন পাঞ্জাব ভোটে! প্রার্থীতালিকা ঘোষণা অকালি দল ওয়ারিসের
-
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে তিনদিন মদ বিক্রি বন্ধ! মদের দোকান নিয়ে কী প্রস্তাব?
-
জমি-বাড়ি দখল করেছেন রেখা পাত্র! বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীকে নালিশ কেশবানন্দ মহারাজের