৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রিন্টু ব্রহ্ম, কালনা: জীবনের অনেকটাই পেরিয়ে গিয়েছে। বয়সের ভার চোখেমুখে স্পষ্ট। দৃষ্টিশক্তিও আগের থেকে অনেকটাই ক্ষীণ হয়েছে। কিন্তু জীবনযুদ্ধ এখনও থামেনি। প্রতি মুহূর্তে বেঁচে থাকার লড়াই লড়ে যেতে হচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড় স্টেশনে থাকা বেশ কিছু মানুষকে। যাদের মাথার উপর কোনও স্থায়ী ছাউনিও নেই। দীর্ঘদিন ধরে প্লাটফর্মেই কাটছে জীবন। খাদ্যের সংস্থান করতে ভিক্ষাবৃত্তিকেই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। ভাগ্য সহায় হলে কোনও দিন দুবেলা দু’মুঠো মেলে, কোনও দিন আবার তাও মেলে না। এই সব মানুষদের একটু আনন্দ দিতে, একদিনের জন্য হলেও তাঁদের হাতে পেটপূরণ ভাল খাবার তুলে দিতে অভিনব উদ্যোগ নিল কালনার সমুদ্রগড়ের একদল যুবক। সমুদ্রগড় স্টেশনের আশেপাশে ঘুরে বেড়ানো সব ভবঘুরেদের রীতিমতো নিমন্ত্রণ করে খাওয়ালেন তাঁরা। 

[আরও পড়ুন:দূরত্ব ঘোচাল সোশ্যাল মিডিয়া, ফেসবুকে অসুস্থ মায়ের ছবি দেখে ছুটে এল মেয়ে]

রবিবার এই মানবিক ঘটনার সাক্ষী রইলেন সমুদ্রগড় স্টেশন চত্বরের বাসিন্দারা। এদিন শুভঙ্কর সাহা, জসিম শেখ, জয় সাহা নামে কয়েকজন যুবক স্টেশনের আশেপাশে থাকা ওই ভবঘুরেদের নিয়ে যান একটি হোটেলে। আর পাঁচজনের মতোই তাঁদের চেয়ার-টেবিলে বসিয়ে রীতিমতো অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। মধ্যাহ্নভোজে তাঁদের সামনে সাজিয়ে দেওয়া হয় ভাত, ডাল, সবজি, আলুপোস্ত, চাটনি, পাঁপড়। খাওয়া শেষে একরাশ খুশি নিয়ে নিজেদের ঠিকানায় ফিরে যান ওই ভবঘুরেরা।

যুবকদলের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ওই যুবকেরা জানিয়েছেন, এবার থেকে প্রতি রবিবার এলাকার ভবঘুরেদের খাওয়াবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই খরচ জোগাতে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারও চালাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের পরিকল্পনা রয়েছে একটি ফুডব্যাংক গড়ে তোলার। জসিম বলেন, “আমরা চাই যাঁদের দেখার কেউ নেই। সবাই তাঁদের পাশে এসে দাঁড়াক, তাহলে সমাজটা আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।”

[আরও পড়ুন:কচুয়ায় গাফিলতি স্পষ্ট, তবুও কেন শাস্তি নয় প্রশ্ন তুলছেন মৃতদের পরিজনরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং