Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja Travel

বিপর্যয়ের আতঙ্ক! পুজোর পর্যটনে উত্তরকে টেক্কা দক্ষিবঙ্গের, জঙ্গলমহলও ‘হাউসফুল’

ইতিমধ্যেই জঙ্গলমহলে বন দপ্তরের গেস্ট হাউসগুলির বুকিং প্রায় ৮০ শতাংশ হয়ে গিয়েছে।

নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৬:৫০

link
নিরুফা খাতুন
নিরুফা খাতুন

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৬:৫০

options
link
বিপর্যয়ের আতঙ্ক! পুজোর পর্যটনে উত্তরকে টেক্কা দক্ষিবঙ্গের, জঙ্গলমহলও ‘হাউসফুল’ zoom
এআই ছবি।
Advertisement

বনদপ্তরের গেস্ট ১৭ পুজোয় পর্যটন টানতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ। অক্টোবরের মাঝামাঝি পুজো শুরু হচ্ছে। ইতিমধ্যে গেস্ট হাউসগুলির বুকিং প্রায় ৮০ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশনের উত্তরবঙ্গে থাকা গেস্ট হাউসগুলির অধিকাংশ রুম বুকিং হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে ঝাড়গ্রাম হাতিবাড়ির গেস্ট হাউস এখনই হাউসফুল হয়ে গিয়েছে। ডব্লুইবিএফডিসি সূত্রে খবর, পুজোয় উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে। তাই পুজোয় সেখানে গেস্ট হাউসগুলিতেও চাপ থাকে। তবে এবার দক্ষিণবঙ্গেও বুকিং ভালোই হচ্ছে। হাতিবাড়ি গেস্ট হাউসের কোনও ঘর আর খালি নেই। পুরুলিয়ার গড়পঞ্চকোট, বিষ্ণুপুরের মুকুটমণিপুর গেস্ট হাউসেরও অধিকাংশ ঘর পর্যটকরা বুকিং করে নিয়েছেন। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বাকিগুলিও হাউসফুল হয়ে যাবে বলে আশাবাদী বনদপ্তর।

গত বছর বিজয়ার পরই উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। হড়পা বানে ভেসে গিয়েছিল ডুয়ার্স। বুকিং বাতিল করে দিয়েছিলেন পর্যটকরা। জলদাপাড়া, গরুমারা জলের তলায় চলে গিয়েছিল। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে লক্ষ্মী হাতছাড়া হয়েছিল দপ্তরের। অনেকে উত্তরবঙ্গ থেকে মুখ ফিরিয়ে দক্ষিণবঙ্গে ভিড় জমান। উত্তরবঙ্গে ক্ষতি হলেও দক্ষিণবঙ্গ থেকে গত বছর বনদপ্তর ভালো আয় করেছিল। এবারও পুজোয় দক্ষিণবঙ্গ ভালো পর্যটক টানতে চলেছে। জঙ্গলমহলে থাকা বন দপ্তরের গেস্ট হাউস, টেন্ট, কটেজে বুকিংও বাড়ছে। বিশেষ করে নেপালে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, মুকুটমণিপুর গেস্ট হাউসেরও অধিকাংশ ঘর পর্যটকরা বুকিং করে নিয়েছেন। টেক্কা দিচ্ছে উত্তরের সঙ্গে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দুর্যোগের পরই দক্ষিণবঙ্গে পর্যটকদের বুকিং বেড়ে যায়। দপ্তরের আধিকারিদের মতে, উত্তরবঙ্গে ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায় না। তার উপর সদ্য নেপালে এত বড় দুর্যোগ ঘটেছে। গত বছর পুজোর মরশুমে উত্তরবঙ্গেও বিপর্যয় নেমে এসেছিল। যে কারণে পাহাড়ে যাত্রা নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক একটা কাজ করছে। বিশেষ করে যাঁরা পরিবার নিয়ে ঘুরতে যেতে চান তাঁরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণবঙ্গ তাঁদের জন্য নিরাপদ পর্যটন কেন্দ্র। এদিকে বুধবার থেকে পর্যটকদের জন্য জঙ্গল খুলে গিয়েছে। পুজোয় সাফারি বুকিংও বাড়ছে। জঙ্গলে প্রবেশমূল্যও ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এবার পুজোয় পর্যটকদের হাত ধরে ভালো টাকা ঘরে তুলতে চলেছে বনদপ্তর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.