Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
'এসপিকে বলো' কর্মসূচি

অনুপ্রেরণা ‘দিদিকে বলো’,সমস্যা সমাধানে একই ধাঁচে জনসংযোগে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার

'এসপিকে বলো'তে অভিযোগ জানান হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায়, জেনে নিন নম্বর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ২১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯, ২১:৩২

options
link
অনুপ্রেরণা ‘দিদিকে বলো’,সমস্যা সমাধানে একই ধাঁচে জনসংযোগে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: পথ দেখিয়েছে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। সেই আদলেই এবার ‘এসপিকে বলো’ কর্মসূচিতে আমজনতার মুখোমুখি হচ্ছেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার এস. সেলভামুরগন। তবে এক্ষেত্রে এসপিকে সরাসরি ফোন করা যাবে না। অভিযোগ জানাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা করে। সেই বার্তা দেখে সমাধানের রাস্তা বাতলে দেবেন পুলিশ সুপার নিজে। অপরাধ সংক্রান্ত নানা বিষয় তো আছেই, এছাড়া জেলাবাসী অন্যান্য সমস্যার সমাধানেও হোয়াটসঅ্যাপ করতে পারবেন – ৮৯৬৭১৭৭৬৬৬ নম্বরে।

চলতি মাসের ১৯ তারিখ থেকে ‘এসপি হোয়াটসঅ্যাপ’ চালু হয়েছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশে। কিন্তু এ নিয়ে তেমনভাবে প্রচার না হওয়ায় আমজনতার কাছে তা অজ্ঞাতই থেকে গিয়েছে। এবার থেকে এই নম্বর পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে সমস্ত থানায় প্রচার করা হবে। যেভাবে পুলিশ নানা সামাজিক কার্যকলাপ ও সরকারি প্রকল্পের কথা জানাতে ব্যানার, হোর্ডিংয়ের মাধ্যমে প্রচার করে, ‘এসপি হোয়াটসঅ্যাপ’ও সেভাবেই তুলে ধরবে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: অন্ধকারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে উলটে গেল বাস, আহত বেশ কয়েকজন]

সূত্রের খবর, গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মোট তিরিশটি অভিযোগ এসেছে পুলিশ সুপারের ওই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে এবং সবকটি সমস্যাই পুরুলিয়া জেলা পুলিশ মিটিয়ে দিয়েছে। পুলিশ সুপারের কথায়, “যে কোনও বিষয়ে জেলার সমস্ত মানুষ এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে অভাব–অভিযোগ–সমস্যা জানাতে পারেন। আমরা চটজলদি সেই সমস্যার সমাধান করব।” পুরুলিয়া জেলা পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বেআইনি মদ বিক্রি থেকে ট্রাফিক সমস্যা এমনকী পারিবারিক সমস্যার কথাও পুলিশ সুপারকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় জানাচ্ছেন আমজনতা।
এভাবে পুলিশ সুপার সরাসরি স্মার্ট ফোনে আমজনতার মুখোমুখি চলে যাওয়ায় এই জেলার বিভিন্ন থানা আবার কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। কোনো থানা এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামের সমস্যা সংশ্লিষ্ট থানা বা ওই এলাকার সিভিক ভলান্টিয়ার বা ভিলেজ পুলিশ জানতে পারছেন না অথচ সেই সমস্যা পৌঁছে যাচ্ছে পুলিশ সুপারের কানে। তাছাড়া মাঝে মধ্যেই একাধিক থানায় অভিযোগ না নেওয়া বা পুলিশি উদাসীনতার অভিযোগ ওঠে। সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ বিচারই পান না। অভিযুক্তও আড়ালে থেকে যায়।এবার থেকে তা আর হচ্ছে না। হোয়াটসঅ্যাপে কোনও বার্তা পেলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা সমাধানে কাজ শুরু হয়ে যাচ্ছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তরফে।

[ আরও পড়ুন: অভাবের তাড়নায় বিশেষভাবে সক্ষম সন্তানকে খুন, আত্মঘাতী বাবা]

রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১১ সালে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনও ‘সমাধান’ নামে একটি প্রকল্প শুরু করে অভাব–অভিযোগ জানাতে একটি নম্বর চালু করে। কিন্তু সেই প্রকল্প এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। ‘এসপি হোয়াটসঅ্যাপ’ যাতে আক্ষরিক অর্থেই পুরুলিয়ার আম জনতার মুশকিল আসান হয় সেই চেষ্টাই করছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।

ছবি: অমিত সিং দেও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.