শুভঙ্কর বসু: নন্দীগ্রামে (Nandigram) ভোট নিয়ে রিপোর্ট জমা পড়ল কমিশনে। সেই রিপোর্টে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাঘাতের কোনও ইঙ্গিত নেই বলেই সূ্ত্রের খবরে জানা গিয়েছে। হাই ভোল্টেজ নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানানো হয় তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের তরফে। তার পর বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়। সেই রিপোর্ট শুক্রবার জমা পড়েছে।
নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নম্বর বুথে গন্ডগোলের অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার প্রায় ২ ঘণ্টা বুথের মধ্য়েই বসে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। সেখান থেকে রাজ্যপালকে ফোনও করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল সমর্থকদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এই ঘটনার পর বিকেলে তৃণমূলের তরফে কমিশনে অভিযোগও জানানো হয়। গোটা বিষয় খতিয়ে দেখতে বলা হয় বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেকে। যদিও নন্দীগ্রামে পুনঃনির্বাচনের দাবি করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari) কেউই।
[আরও পড়ুন: স্বামী করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেল্ফ-আইসোলেশনে প্রিয়াঙ্কা, সরলেন ভোট প্রচার থেকেও]
সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, বিবেক দুবে তাঁর রিপোর্টে জানিয়েছেন, বয়ালের ওই বুথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়ার আগেই প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোটদান হয়ে গিয়েছিল। আর ওই বুথ বা নন্দীগ্রামের অন্য কোনও বুথে ভোটদান ঘিরে অনিয়মের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে নন্দীগ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল-বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে জায়গায় জায়গায় উত্তেজনা এবং সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রচুর পুলিশ এবং RAF নামানো হয়েছে। নন্দীগ্রাম জুড়ে ৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন।
[আরও পড়ুন: মন্দিরে ‘অপকর্মে’র পর মৃত্যু, ‘দেবতার কোপ’ নিয়ে আতঙ্কে আত্মসমর্পণ বাকি ২ অভিযুক্তের]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন