Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bongaon

বিয়ের পর থেকেই সন্দেহ, স্ত্রীকে ‘নিখুঁত’ খুন! যাবজ্জীবন সাজা এসএসকেএমের চিকিৎসকের

বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে সন্দেহ! সেই সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করেছিল এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসক। রাতে ঘুমের মধ্যে 'নিখুঁত' হাতে স্ত্রীর গলার শিরা কাটা হয়েছিল!

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ২১:১৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ২১:১৮

options
link
বিয়ের পর থেকেই সন্দেহ, স্ত্রীকে ‘নিখুঁত’ খুন! যাবজ্জীবন সাজা এসএসকেএমের চিকিৎসকের zoom
যাবজ্জীবন সাজা এসএসকেএমের চিকিৎসকের।
Advertisement

বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে সন্দেহ! সেই সন্দেহের বশেই স্ত্রীকে খুন করেছিল এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসক। রাতে ঘুমের মধ্যে ‘নিখুঁত’ হাতে স্ত্রীর গলার শিরা কাটা হয়েছিল! সেই ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজা হল অরিন্দম বালার। আজ, বৃহস্পতিবার বনগাঁ আদালতে বিচারক কুমকুম সিংহ ওই চিকিৎসককে দোষী সাব্যস্ত করে এই সাজা শুনিয়েছেন। প্রায় তিন বছর আগে খুন হয়েছিলেন রত্নোত্তমা দে। তিনি নিজেও পেশায় চিকিৎসক ছিলেন।

২০২১ সালে বিয়ে হয়েছিল বনগাঁর বাগদার হেলেঞ্চা গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডপঘাটা এলাকার অরিন্দম বালার সঙ্গে রত্নোত্তমা দে-র। অরিন্দম পেশায় কলকাতার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম-এর চিকিৎসক ছিলেন। রত্নোত্তমা নিজেও পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ছিলেন। তবে বিয়ের পর প্রায় সবটাই বদলে গিয়েছিল রত্নোত্তমার। কিছুদিন পর থেকেই স্বামী স্ত্রীকে সন্দেহ করতে শুরু করে। আর সেই সন্দেহ থেকেই শেষপর্যন্ত স্ত্রীকে খুন। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অশান্তির জেরে স্ত্রী রত্নোত্তমা বাপেরবাড়িতে ছিলেন। সেখানে গিয়ে স্ত্রীকে বুঝিয়ে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে এসেছিল অরিন্দম। রাতে নিজেদের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন স্ত্রী। সেসময় ডাক্তারি অস্ত্রোপচারের ধারালো ছুরি স্ত্রীর গলায় শিরায় চালিয়ে দেয় সে!

বনগাঁ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট মাসে অরিন্দম বালার বাড়ি থেকে স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। গলার শিরা কাটা ছিল। এছাড়াও একাধিক ক্ষত দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। মৃতার বাবা রাজীবকুমার দে বাগদা থানায় মেয়ের স্বামী-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে৷ এদিকে স্ত্রীকে খুনের পর আত্মসমর্পণ করে অরিন্দমও। খুনের কথা স্বীকারও করে। গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে।

পুলিশি জেরায় জানা যায়, অশান্তির জেরে স্ত্রী রত্নোত্তমা বাপেরবাড়িতে ছিলেন। সেখানে গিয়ে স্ত্রীকে বুঝিয়ে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে এসেছিল অরিন্দম। রাতে নিজেদের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন স্ত্রী। সেসময় ডাক্তারি অস্ত্রোপচারের ধারালো ছুরি স্ত্রীর গলায় শিরায় চালিয়ে দেয় সে! একাধিক শিরা কেটে স্ত্রীকে খুন করেছিল চিকিৎসক। বনগাঁ আদালতে বিচারক কুমকুম সিংহের এজলাসে শুরু হয় মামলা। নির্দিষ্ট সময়ে পুলিশ চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় মোট ২১ জনার স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এদিন বিচারক যাবজ্জীবন সাজা শুনিয়েছেন। এছাড়াও তার ডাক্তারি সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়েছে। এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.