বিক্রম রায়, কোচবিহার: মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধান৷ আর এই সময়ের মধ্যে দু’বার একই জেলায় বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সি৷ শীতলকুচির পর এবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জে বিজেপির বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি৷ তাঁর এবং তুফানগঞ্জের বিধায়ক ফজল করিম মিঞার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিস্থিতি৷ এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি৷ এবং এর প্রতিবাদে থানা ঘেরাও থেকে শুরু করে, আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কথা ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির৷ ফলে রাজনৈতিক টানাপড়েনে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার৷
[ আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে ফের ধস দার্জিলিংয়ে, বন্ধ টয়ট্রেন পরিষেবা]
জানা গিয়েছে, ২১ জুলাইয়ের শহিদ সভার প্রস্তুতি কর্মিসভা করতে এদিন তুফানগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন সুব্রত বক্সি এবং স্থানীয় বিধায়ক ফজল করিম মিঞা৷ অভিযোগ, পথেই তাঁদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা৷ দফায় দফায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির গাড়ি ঘিরে কালো পতাকা দেখানো হয়৷ দেওয়া হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান৷ এরপরই এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ কোনওক্রমে সুব্রত বক্সির গাড়িটিকে ঝামেলা মুক্ত করে সভার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেন তাঁরা৷ কিন্তু ঝামেলার মধ্যে পড়ে যায় বিধায়কের গাড়ি৷ তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করে গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা৷ এসডিপিও-র অফিসে ঢুকে কোনওক্রমে রক্ষা পান বিধায়ক ফজল করিম মিঞা৷ বিজেপি কর্মীদের সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে৷ এরপরই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়৷ পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগে সরব হয় বিজেপি কর্মীরা৷ প্রতিবাদে তুফানগঞ্জ থানা ঘেরাও করে তারা৷ যদিও ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি মালতী রাভা৷
[ আরও পড়ুন: রোজভ্যালি কাণ্ডে এবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে সমন ইডির ]
প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গত মাসেই শীতলকুচি পরিবর্শনে যান সুব্রত বক্সি৷ তাঁর সঙ্গে সেখানে যান উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন ও শীতলকুচির বিধায়ক হিতেন বর্মন৷ জটামারি এলাকায় তাঁদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক৷ ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দিতে শাসকদলের নেতাদের দিকে কালো পতাকা দেখায় তারা৷ গাড়ি ঘিরে দেওয়া হয় ‘গো ব্যাক’ স্লোগান৷ পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, শীতলকুচি না গিয়ে, তিন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে মাথাভাঙা ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন সুব্রত বক্সি৷
ছবি: দেবাশিষ বিশ্বাস
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার