Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

দেনার দায়ে তমলুকে আত্মঘাতী শিক্ষক, চাঞ্চল্য এলাকায়

মানসিক অবসাদে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত, অনুমান পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০১৯, ১৫:০১

options
link
দেনার দায়ে তমলুকে আত্মঘাতী শিক্ষক, চাঞ্চল্য এলাকায় zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুল শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য  ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে। মৃত শিক্ষকের নাম সুব্রত রায়। জানা গিয়েছে, ধার দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন ওই ব্যক্তি। যার জেরে দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ওই ব্যক্তি। পরে শনিবার সকালে এলাকার একটি গাছ থেকে ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।

[ জোট নিয়ে জটিলতার মধ্যেই মালদহে পিছোল রাহুল গান্ধীর সভা ]

জানা গিয়েছে, তমলুকের ছাঠরা কুঞ্জরানি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলার শিক্ষক ছিলেন সুব্রত রায় নামে ওই ব্যক্তি। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে খবর, পেশায় স্কুল শিক্ষক হলেও বেশ কিছুদিন ধরে আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন। জানা গিয়েছে, এলাকার একাধিক ব্যক্তির থেকে ধার-দেনাও করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, সঠিক সময়ে সেই টাকা ফেরত না দেওয়ায় প্রায়দিনই ওই শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে টাকার জন্য তাগাদা দিতেন পাওনাদাররা। এমনকি দ্রুত টাকা ফেরত না দিলে ওই শিক্ষককে মারধরের হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ঘটনার জেরে অবসাদে ভুগছিলেন ওই শিক্ষক। পরে শনিবার সকালে গলায় মাফলারের ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এলাকারই একটি পেয়ারাগাছে ওই ব্যক্তিকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। এরপরই খবর দেওয়া হয় তমলুক থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আবাস যোজনায় উঠল বউমার ছবি, টাকা পেলেন ভাশুর! ]

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, আর্থিক সংকট ও পাওনাদারের হাত থেকে বাঁচতেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধার দেনার পাশাপাশি, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এলাকার একাধিক যুবকের থেকে টাকা নিয়েছিলেন সুব্রত রায়। কিন্তু আশ্বাস মতো চাকরি দিতে না পারায়, যাঁরা টাকা দিয়েছিলেন তাঁরাও ওই ব্যক্তির উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। ফলে সেই নিয়ে চূড়ান্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে গিয়েছিলেন সুব্রতবাবু। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এইসব অশান্তির জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি।         

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.