Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৪ অক্টোবর ২০২৬
Teachers

পড়ুয়াশূন্য জুনিয়র হাই স্কুলগুলি, বসে বসেই বেতন পাচ্ছেন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা!

অভিযোগ, ২০১৯ সালে জুনিয়র প্রাইমারিতে পঞ্চম শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এই স্কুলগুলির হাল দ্রুত খারাপ হয়।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ১৩:৫২

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ১৩:৫২

options
link
পড়ুয়াশূন্য জুনিয়র হাই স্কুলগুলি, বসে বসেই বেতন পাচ্ছেন শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা! zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

রাজ্যজুড়ে ছাত্রশূন্য হয়ে পড়া স্কুলগুলি বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হতেই সামনে আসছে এক করুণ চিত্র। জুনিয়র হাই স্কুলগুলির অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। মূলত পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন চলা এই স্কুলগুলিতে ছাত্র আকালের জেরে বড়সড় সংকট তৈরি হয়েছে। শিক্ষার অধিকার আইনের হাত ধরে ২০১০ সালের পর প্রচুর জুনিয়র হাই স্কুল তৈরি হলেও, এর আগে থেকেই অনেক প্রতিষ্ঠান ছিল। যেমন হুগলির হরিপাল ব্লকের ১৯৭৩ সালের চিত্রশালী জুনিয়র হাই স্কুল। অভিযোগ, ২০১৯ সালে জুনিয়র প্রাইমারিতে পঞ্চম শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এই স্কুলগুলির হাল দ্রুত খারাপ হয়। মাত্র তিনটি শ্রেণি (ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম) এবং অষ্টম শ্রেণির পর ফের স্কুল বদলের ঝামেলার কারণে অভিভাবকরা আর এই স্কুলগুলিতে শিশুদের পাঠাতে চাননি।

করোনা পরিস্থিতি এই সংকটকে আরও গভীর করেছে। হুগলির চিত্রশালী স্কুলের শিক্ষক তুষার বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ২০১৮ সালের পর থেকে পড়ুয়ার সংখ্যায় ধস নামে। করোনা পরবর্তীতে পড়ুয়ার সংখ্যা কমতে কমতে একসময় ৩-৪ জনে দাঁড়ায়। বর্তমানে ওই স্কুলে শিক্ষক চারজন থাকলেও পড়ুয়া সংখ্যা শূন্য। শিক্ষকরা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরেও ছাত্র জোগাড়ে ব্যর্থ। হুগলিতেই এমন ৭-৮টি স্কুল রয়েছে যেখানে কোনও ছাত্রছাত্রী নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একই অভিজ্ঞতা আরামবাগের নারায়ণপুর জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষক সুকীর্তি গুপ্তর। তিনি জানালেন, ২০১১ সালের স্কুল। ২০১৫ সালে আমি এখানে বদলি হয়ে আসি। হাতেগোনা পড়ুয়া ছিল। তারপর ৬০ জন ভর্তি হয়। কিন্তু কমতে কমতে শূন্য হয়ে যায়। এখন আমি আর একজন গ্রুপ ডি কর্মী রোজ নিয়ম করে স্কুলে আসি। একই অভিজ্ঞতা কলকাতা-সহ অন্য স্কুলেরও। কলকাতার নাকতলা ভারতী স্কুল বছর চারেক আগে পড়ুয়াশূন্য হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষিকা উমা সরকার জানালেন, ২২ জন ছাত্রছাত্রী জোগাড় করেও স্কুল বাঁচানো যায়নি। উমাদেবীরা এখন অন্য স্কুলে বদলি হয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.