অরূপ বসাক, মালবাজার: প্রতিদিন মুরগির ঘর থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে ডিম। তাতে ক্ষিপ্ত হলেও কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না বাড়ির মালিক রতন বিশ্বকর্মা। দিন কয়েক ধরে মালবাজার মহকুমার মানাবাড়ি এলাকার ঘটনায় তাজ্জব সকলে৷ শেষে বিস্তর খোঁজখবর করে রহস্য মোচন হল৷
জানা গেছে, মানাবাড়ি এলাকার রতন বিশ্বকর্মার বাড়ির পাশেই ছিল মুরগির ঘর। সেখানকার বাসিন্দা, মুরগির ঘরে ৫-৬টি মুরগি এবং হাঁস রাখতেন। কিছুদিন যাবৎ তিনি দেখেন, মুরগির ঘর থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে ডিম। তাঁর ধারণা ছিল, চোরের দল মুরগির ডিম চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই জন্য তিনি রাতে পাহারাও দিতেন। কিন্তু পাহারা দিয়েও কোন লাভ হয়নি৷ কারণ, চোরের দেখা পাননি তিনি।
[আরও পড়ুন: শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে নিখোঁজ যুবক, পরেরদিন দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য]
তবে মঙ্গলবার হাতেনাতে ধরা পরল চোর। তবে কোনও মানুষ নয়, একটি কালো রংয়ের বড় গোখরো সাপ। প্রতিদিন ডিম খেয়ে পালিয়ে গেলেও এদিন আর রক্ষা পায়নি সরীসৃপটি৷ কারণ, ভোরবেলায় সাপটি ডিম খাওয়ার পাশাপাশি একটি মুরগিও মেরে ফেলে। আর সেই মুরগি খেতে গিয়েই বিপত্তি। সকালবেলায় বাড়ির মালিক যখন মুরগির ঘর থেকে ডিম আনতে যান, তখন দেখেন, মুরগির ওপর ফণা তুলে ফোঁসফোঁস করছে সাপটি।
[আরও পড়ুন: নামী ব্র্যান্ডের মোড়কে নকল চাল বিক্রি, রায়নায় পুলিশের জালে অবৈধ চক্র]
এরপর বাড়ির মালিক এলাকার পরিবেশপ্রেমী ন্যাসের সদস্যদের খবর দেন। ন্যাসের সদস্য নফসর আলি বনদপ্তরকে খবর দিলে, মালবাজার বনকর্মীরা এসে খাঁচাবন্দি করে নিয়ে যায় সাপটিকে। জানা গেছে, সাপটিকে চাপড়ামাড়ি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বহুদিন অপেক্ষার পর অবশেষে চোর ধরা পড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন বাড়ির মালিক। সাপও যে এমন ডিমপ্রেমী, ধারণাই ছিল না কারও৷ এমন ঘটনায় তাজ্জব সকলে৷ বলছেন, নতুন অভিজ্ঞতা হল৷ আর বাড়ির মালিক রতন বিশ্বকর্মা সাপের আতঙ্ক তাঁর কাটেনি মোটেই৷
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে