বিক্রম রায়, কোচবিহার: ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের বই-খাতা ভরতি ব্যাগের বোঝা কমাতে উদ্যোগ নিচ্ছে শিক্ষা দপ্তর। কোচবিহার শহরে চারটি সরকারি স্কুলে প্রি প্রাইমারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য আলাদা লকার রুম তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শহরের জেনকিন্স, সুনীতি অ্যাকাডেমি, ইন্দিরা দেবী ও সদর গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে এই লকার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ২০২০ সালের মাধ্যমিকের নির্ঘণ্ট প্রকাশ, জেনে নিন কবে কী পরীক্ষা]
ইতিমধ্যেই স্কুলগুলিতে সেই প্রস্তাব পৌঁছেছে। স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের মান উন্নয়নের জন্য বই-খাতার সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। পিঠে ভারী ব্যাগের বোঝায় চাপ বাড়ছে পড়ুয়াদের। শুধু তাই নয়, ভারী ব্যাগ যে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতিকর, তা মানছেন চিকিৎসকরা। শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।
কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম রিয়াজ জানান, “ইতিমধ্যে লকার তৈরি করার প্রস্তাব এসে পৌঁছেছে। শীঘ্রই সেই কাজ নির্দিষ্ট স্থানে শুরু করা হবে।” সদর গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মলয় দে জানান, “এই সিদ্ধান্তের ফলে পড়ুয়ারা উপকৃত হবে।” শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, প্রি-প্রাইমারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই লকার রুম স্কুলের মধ্যে তৈরি করা হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পড়ুয়াদের অধিকাংশ বই ও খাতা সেই লকারে রেখে দেওয়া হবে। স্কুল আসার পর ছাত্রছাত্রীরা তা বের করবে এবং যাওয়ার পথে পুনরায় সেই লকারে রেখে দিয়ে যাবে। শুধু তাই নয় অন্যান্য শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট কিছু বই ছাড়া বাকি সব বই-খাতা সেই লকারে রেখে যেতে হবে। লকারের দুটি করে চাবি থাকবে। একটি চাবি ছাত্রছাত্রীদের কাছে ও অপরটি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে থাকবে বলে জানা গিয়েছে। স্কুল আসার পর পড়ুয়ারা নিজের লকার থেকে বই ও খাতা বের করে ক্লাসে ঢুকবে।
[আরও পড়ুন: অযোধ্যা পাহাড় রক্ষা করতে ফের আন্দোলন পুরুলিয়ার সামাজিক সংগঠনগুলির]
সর্বশেষ খবর
-
নদী ছেঁকে সোনা তোলার হিড়িক, অর্থের লোভে বিপর্যস্ত আফগানিস্তানের জীবন-জীবিকা
-
পিয়ারলেসে অস্ত্রোপচারে হাতে ফিরল জোর, দ্বিতীয় দিনেই বাড়ি ফিরলেন মহাগুরু
-
১৭ কেজি মেদ ঝরান, কাশ্মীরে গিয়ে অনুশীলন, কীভাবে টিম ইন্ডিয়ায় কামব্যাক ‘বিদ্রোহী’ সরফরাজের?
-
বামেদের ‘জেল ভরো’ কর্মসূচিতে উত্তপ্ত আসানসোল! ব্যারিকেড ভেঙে ধস্তাধস্তি, গ্রেপ্তার মীনাক্ষী
-
পোষ্য, মানুষের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার গল্প বলে ‘ওহ মাই ডগ’, কেমন হল পঙ্কজ ত্রিপাঠীর ছবি?