সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরলেন বর্ধমানের তিন বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতালের তরফে তাঁদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাঁদের।
বর্ধমানের বাদুলিয়ার বাসিন্দা অমল মুন্সি। নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় চলতি মাসের ১৯ তারিখ জেলার প্রধান কোভিড হাসপাতালে ভরতি করা হয় ওই ব্যক্তিকে। ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে শুরু করেন তিনি। এরপর অবস্থার উন্নতি হওয়ায় পুনরায় তাঁর করোনা পরীক্ষা হলে রিপোর্ট আসে নেগেটিভ। এরপরই ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

২১ এপ্রিল ওই হাসপাতালেই ভরতি হয়েছিলেন আসানসোলের বাসিন্দা মঞ্জুলা সাউ। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে সেরে ওঠেন তিনিও। বাদুলিয়ার এক নয় বছরের শিশুকন্যার শরীরেও অস্তিত্ব মিলেছিল মারণ ভাইরাসের। তড়িঘড়ি তাঁকে ভরতি করা হয়েছিল কোভিড হাসপাতালে। চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে করোনা যুদ্ধে জয়ী হয় ওই নাবালিকাও। শেষ দু’বারেই নেগেটিভ আসে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট। এরপরই একসঙ্গে তিনজনকে বাড়ি ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।
[আরও পড়ুন: মা মরলেই সংসারে ফিরবেন স্ত্রী! স্রেফ এই অনুমানেই বৃদ্ধাকে খুন ছেলের]
সেই মতো বৃহস্পতিবার ছুটি দেওয়া হয় তাঁদের। হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে ওঠার পথে তাঁদের হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীরা।

মারণ ভাইরাসকে হারিয়ে প্রিয়জনেরা ঘরে ফেরায় খুশি পরিবারের সদস্যরাও। আনন্দে চোখের জল বাঁধ মানছে না তাঁদের। প্রসঙ্গত, বর্ধমানের এই কোভিড হাসপাতালে বর্তমানে এই তিনজনই করোনা আক্রান্ত ভরতি ছিলেন। তাঁদের ছুটি হয়ে যাওয়ায় এখন সেখানে কোনও পজিটিভ রোগী নেই।
দেখুন ভিডিও:
[আরও পড়ুন: আউটডোর বিজ্ঞাপন বন্ধে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারে ধাক্কা, কর ছাড়ের আকুতি মুখ্যমন্ত্রীকে]
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী