৩ শ্রাবণ  ১৪২৬  শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অতুলচন্দ্র নাগ, ডোমকল: ভোররাত থেকে গুলি-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের ডোমকল৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে৷ খুনের নেপথ্যে সিপিএম থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারীদেরই দায়ী করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব৷ যদিও পদ্ম শিবিরের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

[ আরও পড়ুন: গণইস্তফার আবেদনে স্বাক্ষর, কালো ব্যাজ পরে রোগী দেখলেন চিকিৎসকরা]

ভোটের আগে থেকেই মুর্শিদাবাদের ডোমকল অশান্তিপ্রবণ৷ সেইসময়েই কুচিয়ামোড়ের হালসানা পাড়ার বাসিন্দা পঞ্চায়েত কর্মাধ্যক্ষ আলতাব শেখকে খুন করে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী৷ অভিযোগ, সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানকারীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত৷ বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তারও করা হয়৷ আপাতত জামিনে মুক্ত অভিযুক্তরা৷আর তারপরেই তারা ফের খুনের ঘটনায় জড়িয়েছে বলে অভিযোগ৷

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দুষ্কৃতীদের হামলায় এবার প্রাণ গেল পঞ্চায়েত কর্মাধ্যক্ষের ছেলে এবং ভাই৷ শনিবার ভোররাতে বেশ কয়েকজন তাঁদের বাড়িতে আসে৷ অভিযোগ, ব্যাপক বোমাবাজি করতে থাকে দুষ্কৃতীরা৷ খুব কাছ থেকে গুলি চালায় আততায়ীরা৷ গুলি লাগে নিহত পঞ্চায়েত কর্মাধ্যক্ষের ছেলে সোহেল রানা, ভাই খাইরুদ্দিন মণ্ডল এবং প্রতিবেশী রহিদুল শেখের৷ রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতেই লুটিয়ে পড়ে তারা৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মারা যান তিনজনেই৷

[ আরও পড়ুন: ‘বাংলায় থাকতে হলে, বাংলায় কথা বলুন’, দলীয় কর্মিসভায় মন্তব্য মমতার]

নিহত সোহেল, খাইরুদ্দিন এবং রহিদুল তিনজনই এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসাবেই পরিচিত৷ সোহেলের বাবা আলতাব শেখ পঞ্চায়েত কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন৷ লোকসভা নির্বাচনের আগে খুন করা হয়েছিল তাঁকে৷ পরিবারের দাবি, আলতাবকে খুনের সময়ই অভিযুক্তরা সোহেলকে খুনের হুমকি দিয়েছিল৷ কিন্তু ওই অভিযোগকে বিশেষ পাত্তা দেননি তাঁরা৷ অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই অভিযুক্তরা নিহত পঞ্চায়েত কর্মাধ্যক্ষের আত্মীয়দের খুন করেছে৷ স্থানীয় তৃণমূল নেতা সৌমিক হোসেন বলেন, ‘‘এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য সিপিএম থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারীরাই তৃণমূল কর্মীদের খুন করেছে৷’’ ঘটনার তদন্ত করে অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি৷ অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং