Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

খোলা জায়গায় আবর্জনা ফেললে হতে পারে লক্ষ টাকার জরিমানা!

পুরনিগমের ফতোয়ায় আশঙ্কা শহরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০১৯, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০১৯, ১৪:২৮

options
link
খোলা জায়গায় আবর্জনা ফেললে হতে পারে লক্ষ টাকার জরিমানা! zoom

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: যেখান সেখানে বাড়ির আবর্জনা ফেলার অভ্যাস রয়েছে? তবে এখন থেকে সাবধান হওয়ার সময় এসেছে। কোনওভাবে পুরকর্মীদের নজরে পড়ে গেলে দু’দশ হাজার তো বটেই এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্পট ফাইনের আওতায় পড়তে পারেন। সেই সঙ্গে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে আদালতে দৌড়ঝাঁপে বয়স গড়াতে পারে। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের তরফে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা জানানো হয়েছে।

শহরকে পরিষ্কার রাখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে শিলিগুড়ি পুরনিগম। জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের কোনও কর্মী আগাম না জানিয়ে কিংবা লাগাতার একের বেশি অনুপস্থিত থাকলে, তাকে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরনিগম। পাশাপাশি খোলা জায়গায় জঞ্জাল ফেললে তা যদি পুরো কর্মীদের নজরে আসে তাদের স্পট ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছেন পুরনিগমের মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। এদিন শহরের জঞ্জাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডাকেন মেয়র। উপস্থিত ছিলেন জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের মেয়র পারিষদ মুকুল সেনগুপ্ত এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। বছরের প্রথম তিন মাস কীভাবে পুরনিগম কাজ করবে তার রূপরেখা তৈরি করতে এই বৈঠক বলে জানিয়েছেন মেয়র। তারই অঙ্গ হিসেবে মূল সমস্যা যত্রতত্র জঞ্জাল ফেলা এবং নির্দেশ সত্ত্বেও সময়মতো জঞ্জাল পরিস্কার না করার অভিযোগকে ঘিরে এদিন বৈঠকে একটা বড় সময় ব্যয় হয়। জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের মেয়র পারিষদ মুকুলবাবু জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে পুরনিগমের হাতে যে কর্মী রয়েছে, তাদের পরিকল্পনা করে কাজে লাগাতে হবে।

Advertisement

[‘ভাগ’ করে নয়, গৃহস্থের গোটা পিঠে নিজের পেটে চালান চারপেয়ের]

শিলিগুড়ি শহরের বড় সমস্যা এখানে মাটির নিচের সুয়ারেজ সিস্টেম নেই। গোটা রাজ্যে একমাত্র শিলিগুড়িতে বিজ্ঞানভিত্তিক সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা নেই। উন্মুক্ত নর্দমা থাকায় বহু ক্ষেত্রেই ড্রেনে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। তাই প্রতিদিন কোন কর্মী কত কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কার করল তার সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখবে পুরনিগম। প্রয়োজনে ওই এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে কাজ শেষ করে। সেই স্বাক্ষর জমা করলেই তার ভিত্তিতে মিলবে বেতন। পাশাপাশি কোনও নাগরিক জল ফেলার জন্য রাস্তা বা খোলা জায়গা বেছে নিলে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্পট ফাইন করার আইন রয়েছে। সেটিও কড়াভাবে ধার্য করতে চলেছে পুরনিগম। প্রয়োজনে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত করা হতে পারে। বরোভিত্তিকভাবে নিয়মিত প্লাস্টিক বিরোধী অভিযান চালানোর কাজ চালিয়ে যাবে পুরনিগম।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.