Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তাল উলুবেড়িয়া, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ

আক্রান্ত সাংবাদিকরাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০১৮, ০৯:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০১৮, ০৯:৪৯

options
link
তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তাল উলুবেড়িয়া, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, উলুবেড়িয়াভোট মিটতে না মিটতেই ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষ। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাগনানের দেউলগ্রাম। সংঘর্ষের জেরে বিজেপির জেলা পরিষদ প্রার্থীর বাড়িও মোটরবাইক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষের খবর করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশি টহল চলছে।

[বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে অবনতি, গৃহবধূকে কুপিয়ে খুন বীরভূমে]

পুলিশ জানিয়েছে,  রবিবার রাতে তৃণমূল নেতার উপরে আচমকা হামলার জেরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি হলেন বাকসীহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদ্য নির্বাচিত সদস্য। নাম সুপ্রিয় সিং। রবিবার রাতে তিনি যখন কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময়ই আচমকা হামলার মুখে পড়েন। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বেশকিছু দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে। কোনওরকমে হামলাকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচেন সুপ্রিয়বাবু। এরপরেই বাগনান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সুপ্রিয় সিং। তৃণমূল কর্মীদেরও বিষয়টি জানান। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই সুপ্রিয়বাবুর উপরে হামলা চালিয়েছে। এরপরেই হামালার ঘটনা ঘটে স্থানীয় বিজেপি নেতা তথা জেলা পরিষদ প্রার্থী সুরজিৎ ঘোষের বাড়িতে। অভিযোগ সুরজিৎবাবুর বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর বাইক জলে ফেলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় তৃণমূল কর্মীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি অনুপম মল্লিক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[শিয়রে পুরভোট, বালুরঘাটে ভবঘুরেদের জন্য তৈরি হচ্ছে আবাসন]

দু’পক্ষের পরস্পর বিরোধী অভিযোগের জেরে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। সোমবার সকালেও দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছাতেই ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। এদিকে বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিকরা। অভিযোগ, সাংবাদিকদের উপরে হামলা চালানো হয়। তাঁদের মারধর করে ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। সাংবাদিকরা সংঘর্ষের ছবি তুলেছিলেন মোবাইল ক্যামেরায়। তা মুছে দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। সংঘর্ষের উত্তেজনায় গোটা এলাকা থমথমে হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়্ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী। এরপরে ফের সংঘর্ষ না বাধলেও এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশের টহলদার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.