Advertisement
Advertisement
গুলিতে খুন

বাড়ির বাইরে ডেকে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি, বাগনানে খুন তৃণমূল নেতা

নিহত আসাদুল রহমান তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি।

TMC leader in Bagnan,Howrah shot from point blank range and died

ছবি: প্রতীকী

Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:January 21, 2020 10:32 am
  • Updated:January 21, 2020 12:48 pm

মণিরুল ইসলাম, হাওড়া: হাওড়ার বাগনানে খুন তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। শেখ আসাদুল রহমান বাইনান এলাকার তৃণমূল নেতা। তাঁর এমন পরিণতিতে এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আজ সকাল থেকে
এলাকায় ছড়িয়েছে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় মোতায়েন পুলিশ। দুষ্কৃতীরা এখনও অধরা। শুরু হয়েছে তদন্ত।

bagnan-tmc leader

Advertisement

আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের বাগনানের বাইনান অঞ্চলে তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি ছিলেন শেখ আসাদুল রহমান। সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পর এলাকায় সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলকে ফোন করে কেউ বা কারা ডেকে পাঠায়। তারপর সাইকেল নিয়ে তিনি খাজুরডি দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ সূত্রে খবর, সাইকেলে যাওয়ার সময়েই আসাদুলকে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। আজ সকালে কড়িয়ার বড়পোল এলাকার রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় রক্তাক্ত দেহ। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাড়ির বারান্দায় ফুটে উঠল দেবীর প্রতিচ্ছবি! দর্শন পেতে হুড়োহুড়ি স্থানীয়দের]

আসাাদুলের খুনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দোষীদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেপ্তারির দাবিতে চার ঘণ্টা  ধরে মৃতদেহ আটকে রেখে পথ অবরোধ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিস মৌর্য ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তুলে দেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে আসাদুলের মোবাইলের কললিস্ট পরীক্ষা করে। তার ভিত্তিতে দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে।

রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে খুন নাকি অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকাবাসী এবং পরিবারের সদস্যদের, সম্প্রতি এলাকায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। তৃণমূল নেতা,কর্মীদের মূল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবিরের সদস্যরা। সেই জায়গা থেকেই এই খুন। যদিও আসাদুলের ভাই জাহিদুলের দাবি, দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছেন আসাদুল।  

[আরও পড়ুন: ফের উত্তেজনা দাড়িভিটে, ছাত্রমৃত্যুর সুবিচারের পোস্টার ছেঁড়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ]

এর আগে শান্তিপুরে এক তৃণমূল কর্মীর খুনের ঘটনার নেপথ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ব প্রকাশ্যে এসেছিল। যদিও স্থানীয় বিধায়ক এবং সভাপতি সেই তত্ব খারিজ করে দিয়েছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ডে এখনও তদন্ত চলছে। আসাদুলের ক্ষেত্রে খুনের কারণ কী, তাও সঠিক তদন্তেই প্রকাশ্যে আসবে। আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের সভাপতি সেলিমুল আলম ও আমতা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পালের দাবি, পুলিশ ঘটনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করুক ও সত্য উদ্ঘাটন করুক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ