স্টাফ রিপোর্টার: ‘আমাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হোক। আমি বেরিয়ে যেতে চাইছি।’ এভাবেই ফের প্রকাশ্যেই মুর্শিদাবাদের জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতিবার একেবারে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তাঁর হুমকি, “বের করে দিক তারপর বোঝাব এই জেলায় ভোট কেমন হয়! আমাকে দল থেকে বের করে দেখাক না! মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২০ থেকে ১০-এ নামাব!” এরপরই বিদ্রোহী মেজাজে হুমায়ুনের ঘোষণা, “দুটো আসনে দাঁড়াব, নিজের হোম-সিট রেজিনগর আর ভরতপুর, দুটোই জিতে দেখাব।”
দলের বিধায়কের এমন বিস্ফোরক হুমকি নিয়ে জেলা বা রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব এদিন কোনও মন্তব্য করেননি। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। উত্তরে কুণাল বলেন, “এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কেউ কাউকে ধরে রাখে নাকি? দল সবকিছুতেই নজর রাখছে। আর কে কী বলছেন, সেটা দলই দেখবে।”
উল্লেখ্য, মাস দু’য়েক আগে বিধানসভায় তৃণমূল পরিষদীয় দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি হুমায়ুনকে শোকজের পাশাপাশি ডেকে পাঠিয়ে শেষবারের মতো কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিল। মুর্শিদাবাদেই ভাইফোঁটার এক অনুষ্ঠানে এসে এদিন আচমকাই জেলা নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে হুমায়ুন বলেন, “২০২৩ সাল থেকে বলছি, আমার বিধানসভা কেন্দ্রের দু’জন ব্লক সভাপতিকে সরান। চিঠি দিয়েছি, অনুরোধ করেছি। কেউ শুনল না।” এরপরই হুমায়ুন বলেন, “পুলিশের জুলুমের জন্য বালির গাড়িতে বেশি টাকা খরচ করে সাধারণ মানুষকে বালি কিনতে হচ্ছে। পুলিশ তোলাবাজি-জুলুমবাজি করে। পুলিশের কর্মীরা তাদের ক্যান্টিনে জিনিসপত্র কিনে বাইরে বিক্রি করছে, আর্মি ক্যান্টিনে এসব হচ্ছে না।”
সর্বশেষ খবর
-
বিপর্যয়ের পর নেপালের সুড়ঙ্গে কি আটকে সন্দীপ? বর্ধমানে দুশ্চিন্তায় দিন গুনছেন স্ত্রী-পরিবার
-
একফালি আঁচলে ঢাকা স্তন, ‘জিনাতের সাহসী ছবি দেখতে বোরখাই ভরসা’, স্বীকারোক্তি চাঙ্কি পাণ্ডের
-
লালু-ভুলুরা চেটেপুটে খাচ্ছে কুলফি! সারমেয়দের জন্য সুগার ফ্রি ডেজার্ট বানিয়ে ভাইরাল বিক্রেতা
-
নেপালের দুর্গতদের পাশে ভারত সেবাশ্রম, সহযোগিতার হাত বাড়াল ঠিকাদার সংগঠন
-
দ্রুত পাতলা হচ্ছে ভ্রু! হীনমন্যতা এড়াতে আজই কাজে লাগান এই ৫ ঘরোয়া সমাধান