Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Manoranjan Bapari

এবার ফেসবুক থেকে বিদায়ের সিদ্ধান্ত মনোরঞ্জন ব্যাপারীর, নাম না করে বিঁধলেন বিরোধীদের

শুক্রবার বলাগড়ের বিধায়ক ফেসবুকে লিখেছিলেন, "রাজনীতিতে আসা হয়তো ঠিক হয়নি।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২১, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২১, ১১:২৪

options
link
এবার ফেসবুক থেকে বিদায়ের সিদ্ধান্ত মনোরঞ্জন ব্যাপারীর, নাম না করে বিঁধলেন বিরোধীদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতিতে আসা ঠিক হয়নি বলেই ফেসবুকে আফসোস করেছিলেন বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী (Manoranjan Bapari)। যা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। এই পরিস্থিতিতে ফেসবুকে বিধায়ক জানালেন, আপাতত সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। দেবেন না সাক্ষাৎকারও। অভিযোগ, তাঁর ভাবনাকে দুমড়ে মুচড়ে অন্য রূপ দিয়ে সরকারকে বদনাম করার চেষ্টা করছে এক শ্রেণি।

শনিবার বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) ফেসবুকে লেখেন, “আমাকে কিছু দিনের জন্য ফেসবুক থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। বন্ধ করে দিতে হচ্ছে টিভির সাক্ষাৎকার। কারণ, কিছু মানুষ খুব কৌশলী হয়ে উঠেছে। যাদের হৃদয় বৃত্তি মরে গিয়েছে। তাঁরা মানবিক আর্তির ধার ধারেন না। সহজ সরল ভাষা ভাবনাকে বাঁকিয়ে দুমড়ে মুচড়ে একটা অন্য রূপ দিয়ে মা মাটি মানুষের জনপ্রিয় সরকারকে বদনাম করতে চাইছে। বিশেষ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়।” নাম না করে বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লিখেছেন, “কোনও একটা শিবির থেকে এই সব কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। তাঁরা এই বিপুল জনাদেশ নিয়ে তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে আসা মা মাটি মানুষের তৃণমূলকে যেমন সহ‍্য করতে পারছে না, তেমনই আমাকেও সহ‍্য করতে চাইছে না। ঝড় তোলার চেষ্টা চলছে আমার একটা মানবিক আর্তি মাখানো ফেসবুক পোস্ট নিয়ে। ওরা থামবে না। কিছু না কিছু করতেই থাকবে। তাই মনে হচ্ছে আমার থেমে যাওয়া উচিৎ। লেখা আর বলা আপাতত কিছুকাল বন্ধই থাকুক।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হল প্যাথোলজিক্যাল-রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষার খরচ]

উল্লেখ্য, শুক্রবার একটি মনোরঞ্জন ব্যাপারীর একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। সেখানে বিধায়ক লিখেছিলেন, “আমি হাঁপিয়ে যাচ্ছি। সত্যিই আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে রাজনীতিতে এসে আমি বোধহয় ঠিক করিনি। যখন দূরে ছিলাম, যখন তেমনভাবে কিছু জানতাম না, খানিকটা সুখে ছিলাম। এখন সব দেখে জেনে, সরাসরি যুক্ত হয়ে আর কোনও রাতেই ভাল মতো ঘুমতে পারছি না। কী এক কষ্টে মাঝরাতে উঠে পায়চারী করতে বাধ্য হই। এত অভাবী-দু্ঃখী মানুষ, এতো তাঁদের সমস্যা। তাঁদের সকল আশা ভরসার কেন্দ্রে এখন এসে দাঁড়িয়ে পড়েছি আমি। আমাকে ঘিরে তাদের অনেক আশা প্রত‍্যাশা। যেন আমার কাছে কোন জাদুকাঠি আছে।”

[আরও পড়ুন: ‘অশোভনীয়’ পোশাক পরে প্রবেশ নিষিদ্ধ! নাগরিকদের জন্য ফতোয়া জারি করে বিতর্কে পুরসভা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.