BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘গুলি চালানোর সাহস কীভাবে হয়?’ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তোপ শতাব্দীর

Published by: Tanujit Das |    Posted: April 29, 2019 1:41 pm|    Updated: April 29, 2019 4:45 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘‘গুলি চালানোর সাহস কীভাবে হয়?’’ দুবরাজপুরে গুলি চালানোর ঘটনায় এভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়৷ তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, বিজেপির হয়ে কাজ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ বুথের মধ্যে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে তাঁরা৷ বাহিনীর বিরুদ্ধে কমিশনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি৷

[আরও পড়ুন: নজরবন্দির বিরোধিতায় হাই কোর্টে অনুব্রত, স্বমেজাজে ভোট দিতে হাজির বুথে]

অভিযোগ, দুপুর বাড়তেই দুবরাজপুরের কানদিঘির ২৮৪/২৫৯ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা৷ বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়৷ বিক্ষোভ দেখাতে থাকে দুষ্কৃতীরা৷ অভিযোগ, তাদের ছত্রভঙ্গ করতেই বুথের ভিতরেই শূন্যে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা৷ এরপর বুথের পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে৷ আতঙ্কে পালাতে গিয়ে আহত হন এক মহিলা৷ তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে৷ যদিও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পাথর ছোঁড়ার পালটা অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে গুলি চালিয়েছে বলে দাবি তাঁদের৷ 

[আরও পড়ুন: বেলা গড়াতেই উত্তপ্ত নানুর, বিজেপি কর্মীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ]

কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই গুলি চালানোর বিষয়টিকেই হাতিয়ার করেছে তৃণমূল৷বাহিনীকে আক্রমণ শানিয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়৷ তাঁর অভিযোগ, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে গুলি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ তাদের এই ক্ষমতা নেই৷ বিজেপির এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা৷ এবিষয়ে কমিশনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে ওই বুথের ভোটগ্রহণ৷ পরে রাজ্যে পুলিশের তৎপরতায় এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়৷ কমিশন সূত্রে খবর, গুলি চালানোর কথা স্বীকার করা হয়েছে৷ পাশাপাশি, জানান হয়েছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বাহিনী৷ 

কেবল দুবরাজপুরই নয়, তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বীরভূমের নলহাটি৷ বিজেপি কর্মীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে৷ পালটা অভিযোগ করেছে তৃণমূলও৷

ছবি: শান্তনু দাস

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement