Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

ওষুধ তৈরির জন্যই পাচার হচ্ছে কচ্ছপ, প্রকাশ্যে বাংলাদেশ-চিন যোগ

ক্রমশ বাড়ছে এই বিপন্ন প্রাণীর শিকার ও পাচার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৮, ১২:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৮, ১২:৩৩

options
link
ওষুধ তৈরির জন্যই পাচার হচ্ছে কচ্ছপ, প্রকাশ্যে বাংলাদেশ-চিন যোগ zoom

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: কচ্ছপের মাংস বিক্রি নতুন কিছু নয়। আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই লুকিয়ে চুরিয়ে বিক্রি হয়। ধরপাকড়ও চলে। কিন্তু মাংসের চেয়েও কচ্ছপের খোলসের চাহিদা যে বেশি, সে তথ্য হয়তো অনেকেরই অজানা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। চড়া দামে কচ্ছপের খোলস পাচার হয় আন্তর্জাতিক বাজারে। প্রথমে বাংলাদেশ, সেখান থেকে চোরাপথে চলে যায় চিনে। কচ্ছপের খোলস দিয়ে তৈরি হয় বহুমূল্য চিনা আয়ুর্বেদিক ওষুধ। বিদেশে চাহিদার কারণে ক্রমশ বাড়ছে এই বিপন্ন প্রাণীর শিকার ও পাচার।

[সন্তানই নেই, অথচ স্বামীর বিরুদ্ধে তাকেই মারধরের অভিযোগ আনলেন স্ত্রী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শনিবার ধুলাগড় থেকে এক আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। সেই পাচারকারীদের জেরা করেই উঠে আসে কচ্ছপের খোলস পাচারের এই তথ্য। প্রতিবছরই শীতকালে কচ্ছপ পাচার চক্রগুলিকে সক্রিয় হতে দেখা যায়। সে সময় কচ্ছপের মাংসের চাহিদা ব্যাপক বাড়ে। উত্তরপ্রদেশ বা ভুবনেশ্বর থেকে ‘সফট শেল’ প্রজাতির কচ্ছপগুলি এনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেয় পাচারকারীরা। শুধু রাজ্যেই নয় বাংলাদেশেও পাচার হয় এই কচ্ছপ। সেখানেও ব্যাপক চাহিদা মাংসের। তবে ইদানীং গ্রীষ্মকালে কচ্ছপ পাচার বেড়েছে বলে জানতে পারেন বনদপ্তরের কর্মীরা। শনিবার হাতেনাতে প্রমাণ পেলেন তাঁরা। পাচার হওয়ার পথে কয়েক হাজার কচ্ছপ উদ্ধার করল সিআইডি। গ্রেপ্তার হয় ওই পাচারচক্রের দুই পান্ডা-সহ চারজন। আর তাদের জেরা করেই এই অসময়ে বিপুল পরিমাণ কচ্ছপ পাচারের অন্তর্নিহিত কারণ জানতে পারে বনদপ্তর ও সিআইডি।

সিআইডি সূত্রে খবর, কচ্ছপগুলিকে প্রথমে বনগাঁ মহকুমা এলাকায় নিয়ে জড়ো করা হয়। সেখান থেকে ব্যবসায়ীদের হাত ধরে কচ্ছপগুলি বিভিন্ন বাজারে ছড়িয়ে যায়। কচ্ছপ কেটে মাংস মোটা টাকায় বিক্রি করে তারা। তবে এখানেই শেষ নয়। একটি কচ্ছপ থেকে দু’বার আয় করে ওই ব্যবসায়ীরা। মাংস বিক্রির পর ওই খোলসগুলি শুকানো হয়। কচ্ছপের খোলসের গায়ে ‘ক্যালিপি’ নামে আঠালো একটি পদার্থ থাকে। এই ‘ক্যালিপি’ দিয়েই আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি হয় চিনে। খোলস শুকিয়ে তার থেকে ‘ক্যালিপি’ আলাদা করা হয়। সিআইডি সূত্রে খবর, এক কেজি ‘ক্যালিপি’ বাবদ প্রায় দু’হাজার টাকা পায় ওই ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের থেকে এই শুকনো ‘ক্যালিপি’ কিনে আনে একটি দল। সেগুলি বনগাঁর চোরাচালানকারীদের হাত ধরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশে। বাংলাদেশ থেকে অন্য পাচারকারী দল সেগুলি নিয়ে যায় চিনে। গোয়েন্দাদের সূত্রে জানা যায়, বনগাঁ ও গাইঘাটা এলাকায় সংগঠিতভাবে কয়েকটি চক্র কচ্ছপের মাংস ও খোলস পাচারের কাজ করে। চিনে খোলস দিয়ে ওষুধ তৈরির পাশাপাশি রেস্তরাঁর খাবারেও ব্যবহার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

[পাচারকারীদের খপ্পর থেকে উদ্ধার ৩ হাজার বিলুপ্তপ্রায় কচ্ছপ, বড় সাফল্য সিআইডির]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.