BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ঝুলছে মা, বিছানায় পড়ে মেয়ের দেহ, বারাকপুরে জোড়া রহস্যমৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দে পুলিশ

Published by: Sayani Sen |    Posted: July 9, 2020 10:03 am|    Updated: July 9, 2020 10:40 am

An Images

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, বারাকপুর: পারিবারিক অশান্তির জের নাকি অন্য কিছু? কী কারণে মেয়েকে খুনের পর আত্মহত্যা করলেন গৃহবধূ? উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর (Barrackpore) সদর বাজারের গোলামহল এলাকার এই ঘটনায় প্রশ্নের ভিড়। এখনও এই ঘটনার কারণ জানতে পারেনি পুলিশ। প্রতিবেশী এবং ওই গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে কথা বলেই ঘটনার কিনারা করা যাবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

বুধবার সন্ধেয় তিন বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে বাড়িতে একাই ছিলেন পারভিন খান। বছর ছাব্বিশের ওই গৃহবধূ ঘরে হয়তো কোনও কাজ করছেন তাই ভেবেছিলেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু অন্যান্য দিন তো এমন হয় না। পারভিন রোজই কাজ মিটিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে গল্পগুজব করেন। তাই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। কৌতূহলবশত বাড়ির কাছে এগিয়ে যান বেশ কয়েকজন। পারভিনকে ডাকতে থাকেন। কিন্তু ঘরের ভিতর থেকে পারভিন কিংবা তাঁর মেয়ে ইবানা কেউই সাড়া দেয়নি। শরীর খারাপ হল না তো, দুশ্চিন্তা করতে থাকেন প্রতিবেশীরা।

[আরও পড়ুন: সৌরশক্তিচালিত স‌্যানিটাইজিং মেশিনই মারবে করোনা! অভিনব আবিষ্কার বাংলার শিক্ষকের]

খবর দেওয়া হয় বারাকপুর থানায়। খবর পাওয়ামাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বারবার ডাকাডাকি করা হয় পারভিনকে। তবে সাড়া মেলেনি তাঁর। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফেলে। বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী এবং পুলিশ ভিতর ঢোকে। ঘরে ঢুকতেন অবাক হয়ে যান তাঁরা। দেখেন নিজের ঘরের সিলিং থেকে ঝুলছেন পারভিন। আর তাঁর তিন বছরের ফুটফুটে মেয়ে পড়ে রয়েছে বিছানার উপর। ততক্ষণে অবশ্য কারও শরীরেই আর প্রাণ নেই। পুলিশ দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, স্বামী এবং মেয়েকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাকপুর সদর বাজারের গোলামহল এলাকায় থাকেন পারভিন। স্বামী চিন্টু খান কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। বুধবার সন্ধেয় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। সেই সময় প্রতিবেশীদের তৎপরতায় পুলিশ তাঁর বাড়িতে আসে। পারভিন এবং ইবানার দেহ উদ্ধার করে। তাঁদের মধ্যে কোনও দাম্পত্য অশান্তি ছিল বলে জানা ছিল না  প্রতিবেশীদের। কী কারণে এমন কাণ্ড ঘটল, তা নিয়ে ধন্দে প্রায় সকলেই। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, মেয়েকে খুন করে আত্মহত্যা করেছেন ওই তরুণী গৃহবধূ। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা সম্ভব নয় বলেই জানানো হয়েছে। 

[আরও পড়ুন: তৃণমূলের ঝান্ডা ধরেও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান, ধমক খেতেই বেরল ‘বন্দে মাতরম’]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement