Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
স্বাস্থ্যসাথী

এবার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় ভেলোরের সিএমসি, বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাজ্যের

রাজ্যের বহু মানুষ ভেলোরে চিকিৎসার জন্য যান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২০, ১৩:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২০, ১৩:৫৮

options
link
এবার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় ভেলোরের সিএমসি, বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাজ্যের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা দেশ থেকে বটেই, পশ্চিমবঙ্গের বহু রোগী তামিলনাড়ুর ভেলোরে ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ বা সিএমসিতে চিকিৎসার জন্য যান। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের আমলে উন্নত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো থাকলেও চিকিৎসার জন্য ভেলোরে পাড়ি দেন বহু বাঙালি। এবার যাঁরা সিএমসিতে চিকিৎসার জন্য যান তাঁদের জন্য সুখবর। এবার থেকে রাজ্য সরকারের বিনামূল্যের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প ‘স্বাস্থ্যসাথী’র আওতায় চলে এল ভেলোরের সিএমসি। একইভাবে দিল্লির এইমসও এবার থেকে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় চলে এল।

লকডাউনের সময় ভেলোরে চিকিৎসা করাতে গিয়ে রাজ্যের বহু মানুষ আটকেও পড়েছিলেন। পরে তাঁদের ফেরানোর জন্য রেলের কাছে বিশেষ ট্রেনের আরজিও জানায় রাজ্য। ভেলোর ও বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসার জন্য যাওয়া রাজ্যের বহু মানুষকে বিশেষ ট্রেনে ফেরানো হয়। শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় আমরা আরও দুটি হাসপাতালকে যোগ করছি। সেখানেও একইরকম সুযোগ সুবিধা পাবেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড হোল্ডাররা। একটি হল ভেলোরের সিএমসি এবং অন্যটি হল দিল্লির এইমস।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যে সুস্থতার হার ৬৫ শতাংশ, করোনা চিকিৎসার খরচ কমাতে বড়সড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর]

প্রসঙ্গত, কোভিড মোকাবিলার জন্যও একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। বেসরকারি কেন্দ্রগুলিতে যাতে করোনা পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে না হয়, তার জন্যও বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতদিন বেসরকারি কেন্দ্রগুলিতে করোনা পরীক্ষার জন্য দিতে হত সাড়ে ৪ হাজার টাকা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার থেকে নমুনা টেস্টের জন্য দিতে হবে ২ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ অনেকটাই কমল খরচ। সেই সঙ্গে পিপিই-সহ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকার অন্যান্য সরঞ্জামের মূল্য দিনপিছু বেঁধে দেওয়া হল এক হাজার টাকা করে। এছাড়াও যাঁরা করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হচ্ছেন, তাঁদের সর্বোচ্চ খরচ কী হতে পারে, সেটি মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.