Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
জিয়াগঞ্জ

জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত প্রতিবেশীর ভাই, বোনের বাড়িতে বিক্ষোভ স্থানীয়দের

পুলিশের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৯, ১৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৯, ১৮:৩৩

options
link
জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত প্রতিবেশীর ভাই, বোনের বাড়িতে বিক্ষোভ স্থানীয়দের zoom
Advertisement

সাবিরুজ্জামান, লালবাগ: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের পর্দা ফাঁস হয়েছে। মূল অভিযুক্ত উৎপল বেহরার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তার বোনেরও। কারণ, খুনের আগে ও পরে বোনের বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছিল অভিযুক্ত। এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিযুক্তের বোনের শ্বশুরবাড়ির এলাকা অর্থাৎ সাহাপুরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার বিকেলে দীর্ঘক্ষণ ধৃতের বোনের বাড়ির বাইরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

[আরও পড়ুন: ৫ মিনিটে তিন খুন! জিয়াগঞ্জের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিলেন পুলিশ সুপার]

শেষ ৬ দিন জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের কিনারা করতে মুর্শিদাবাদ থেকে রামপুরহাট দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ ও সিআইডি। সন্দেহভাজন একাধিককে আটক করে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু কিছুতেই রহস্যভেদ করতে না। সাত দিনের মাথায় অবশেষে রহস্যের জট খুলেছে। বিছানায় পড়ে থাকা বিমার কাগজ থেকে তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট হয়েছিল উৎপল বেহরা নামে এক ব্যক্তির উপস্থিতি। এরপর সন্দেহভাজনদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের পর স্পষ্ট আরও হয় ছবিটা। সোমবার রাতে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন যে, উৎপল বেহরাই খুনের সঙ্গে জড়িত। এরপর গভীর রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে উৎপলকে। আটক করা হয়েছে তার বোনকেও।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মাঝে মধ্যেই বোনের বাড়িতে আসত উৎপল। খুনের আগে ও পরেও সাহাপুরে বোনের বাড়িতেই ছিল উৎপল। এলাকার বাসিন্দাদের কথায়, তাঁদের সঙ্গেও পরিচয় ছিল উৎপলের। বোনের বাড়ি গেলে গল্পও করতো তাদের সঙ্গে। সেই পরিচিত ছেলেটি এই নৃশংস খুনের সঙ্গে জড়িত তা ভেবেই শিউড়ে উঠছেন সাহাপুরের বাসিন্দারা। ভাবতেও পারছেন না, কদিন আগেও যে ছেলেটির সঙ্গে কথা হয়েছে, সে ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে শেষ করেছে তিনটে জীবন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজ চলছে। অভিযুক্তরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।     

[আরও পড়ুন: স্বামী ও শিশুকন্যাকে ছেড়ে নতুন প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধায় মহিলাকে গণধোলাই]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.