Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
বিতর্কে দিলীপ ঘোষ

‘রাজনীতির স্বার্থে ঝামেলা করতেই হয়’, দিলীপ ঘোষের মন্তব্য ঘিরে ফের বিতর্ক

কী বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি, শুনুন বক্তব্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:২৪

options
link
‘রাজনীতির স্বার্থে ঝামেলা করতেই হয়’, দিলীপ ঘোষের মন্তব্য ঘিরে ফের বিতর্ক zoom
Advertisement

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: হাজার নিষেধ, হুঁশিয়ারি সত্বেও লাগাম যেন পড়ছেই না। ফের এক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে বিজেপির অভিনন্দন যাত্রার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বললেন, ”ঝামেলা না করলে তো রাজনীতি হয় না। হয় ওরা ঝামেলা করবে, নয়ত আমরা। এটাই তো বাংলার কালচার।” আর এই মন্তব্য করেই ফের সমালোচিত বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তৃণমূলের পালটা প্রতিক্রিয়া, বাংলার নয়, ঝামেলা করা বিজেপির সংস্কৃতি।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের মধ্যে বিজেপি পালটা এসবের সমর্থনে নেমেছে পথে। জায়গায় জায়গায় অভিনন্দন যাত্রা শুরু করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। শুক্রবার তমলুকে ছিল বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা। সেই যাত্রা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এনআরসি বা CAA নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে তাঁর সাফ কথা – ”ঝামেলা না করলে রাজনীতি হয় নাকি? হয় ওরা ঝামেলা করবে, নয়ত আমরা করব। এটাই তো চলে আসছে। এটাই বাংলার কালচার। আমরাও সবরকম ঝামেলার জন্য প্রস্তুত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: নববর্ষের শুভেচ্ছা ব্যানারে CAA বিরোধিতা, দুর্গাপুর নগর নিগমের কাজে বিতর্ক]

দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের বিতর্ক তোলার মতো আরও কয়েকটি বিষয় ছিল। রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন স্পষ্টতই মেনে নিলেন, ”দলে কিছু ছাঁট মাল আছে। দল তাদের কোনও দায়িত্বও দেয়নি। এমনিতে এ ধরনের লোকজনকে দল রাখে না। এদেরও বাদ দিতে হবে।” এমনকী শিবির বদলে বিজেপিতে যোগ দেওয়া সদস্যদের সম্পর্কেও তাঁর মত, ”বাইরের লোকজনকে না নিলে দল বাড়বে না, এগোবে না। আবার তাঁদেরও দায়িত্ব এখানে এসে মানিয়ে নেওয়ার। দল যে কাজের সুযোগ দেবে, তা ঠিকমতো করা। নাহলে দল তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।” অর্থাৎ অন্তত এরাজ্যে বিজেপি যে সংগঠন বৃদ্ধির জন্য এখনও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের উপর নির্ভরশীল, দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে তাও স্পষ্ট।

শুনুন দিলীপ ঘোষের বক্তব্য:

[আরও পড়ুন: ‘মরে গেলেও রাজ্যে ডিটেনশন ক্যাম্প নয়’, নৈহাটিতে চরম হুঁশিয়ারি মমতার]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.