Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
বিশ্বভারতী

করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের জের, কমল বিশ্বভারতীর সাপ্তাহিক ছুটি

লকডাউন চলাকালীন অধ্যাপকরা কোথায় ছিলেন তা জানতে চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২০, ১৩:৩৮

options
link
করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের জের, কমল বিশ্বভারতীর সাপ্তাহিক ছুটি zoom
ফাইল ছবি।

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: করোনা আতঙ্কে দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সাপ্তাহিক ছুটি একদিন করে দিল বিশ্বভারতী। মঙ্গলবার প্রকাশিত অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার জানানো হয়েছে, চলতি শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকার হবে। পাশাপাশি, লকডাউনের সময় অধ্যাপকরা কে কোথায় ছিলেন, প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে প্রকাশিত ২০২০ সালের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে ভরতি, ক্লাস, ছুটির পাশাপাশি স্কুল সেকশন পাঠভবন, পরীক্ষার বিষয়গুলিও তুলে ধরা হয়েছে। সাধারণত বিশ্বভারতীর শিক্ষাবর্ষ মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমটি জানুয়ারি থেকে জুন এবং দ্বিতীয়টি জুলাই থেকে ডিসেম্বর। তবে এবারের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ভরতির জন্য আবেদন করা যাবে ৩০ জুন থেকে ১৪ই আগষ্ট (সম্ভাব্য) এর মধ্যে। স্নাতকে ভরতি শুরু হতে পারে ২০ থেকে ৩১ আগষ্টের মধ্যে। বিএড এর ভরতি ২০ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।বিপিএড, এমএড, এমপিএড ভরতি ৩১ আগষ্ট এর মধ্যে শেষ হবে। স্নাতকোত্তর, এমফিল, পিএইচডি ভরতির পরীক্ষা হবে ২০-২৫ আগষ্টের মধ্যে এবং ভরতি হবে ৩১আগষ্টের মধ্যে। বিভিন্ন ভবনে ক্লাস শুরু হবে ১লা আগষ্ট এবং ১লা সেপ্টেম্বর থেকে। এবার গ্রীষ্মের ছুটি ১-১৫ জুন, পূজার ছুটি ১৭-৩১ অক্টোবর আর শীতের ছুটি ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২রা জানুয়ারি ২০২১, ক্যালেন্ডারে এমনটাই জানাল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

[আরও পড়ুন:  লকডাউনেও অব্যাহত তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ধারালো অস্ত্রের কোপে প্রাণ হারালেন এক দলীয় কর্মী]

পাশাপাশি, এবার সপ্তাহিক ছুটি শনি-রবিবারের পরিবর্তে শুধু রবিবার থাকবে বলেই জানানো হয়েছে। তবে পাঠভবন এবং রবীন্দ্রভবন ছুটি থাকবে বুধবার। অন্য নোটিফিকেশনে কর্তৃপক্ষ অধ্যাপকদের কাছে জানতে চেয়েছে যে, লকডাউনের সময় তাঁরা কোথায় ছিলেন। বিষয়টি ৩১ মে-এর মধ্যে বিভাগীয় প্রধানের কাছে জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, একটি চার্ট দেওয়া হয়েছে অধ্যাপকদের, সেখানে ৬টি বিষয় জানাতে চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সব চেয়ে গুরত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় হল লকডাউনের সময় তিনি শান্তিনিকেতনে ছিলেন কি না? না থাকলে ছুটি নিয়ে ছিলেন কি না? অনলাইনে ক্লাস হচ্ছে সেখানে অংশ নিয়ে ছিলেন কি না? তবে এবিষয়টি ভাল ভাবে নেননি অধ্যাপকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নোটিফিকেশন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি-র (UGC) কোনও নির্দেশের ভিত্তিতে করা হয়েছে তা জানতে চেয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে অধ্যাপক সংগঠন ভিবিউফা। তবে এ বিষয়ে মুখ খোলেননি বিশ্বভারতীর মুখপত্র অনির্বাণ সরকার। 

[আরও পড়ুন: সুস্থ সন্তানের জন্ম দিলেন করোনা আক্রান্ত প্রসূতি, দুশ্চিন্তামুক্ত পরিবার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.